পুষ্টিতে পিছিয়ে সিলেট

ইত্তেফাক রিপোর্ট

১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে প্রতি চার জনে একজন খর্বাকৃত। সারাদেশের পুষ্টি কার্যক্রম আগের তুলনায় পরিবর্তন হলেও সিলেটের অবস্থা এখনো আগের মতোই আছে। ২০১২ সাল থেকে ওই বিভাগের পুষ্টি কার্যক্রমের কোনো পরিবর্তন আসছে না। গতকাল সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। ‘ব্র্যাক, স্বর্ণ কিশোরী নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন, ইউনিসেফ, গেইন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যৌথভাবে এডোলেসেন্ট নিউট্রিশন বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।

বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ। সমাজকর্মী শিপা হাফিজার সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে আরো বক্তব্য রাখেন এনবিআরের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লায়লা জেসমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ডা. মাহমুদুল হক, বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউট্রিশন কাউন্সিল-এর মহাপরিচালক ডা. মো. শাহনেওয়াজ, পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সচিব অধ্যাপক শামসুল আলম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কিশোর-কিশোরীদের পুষ্টির উন্নয়নের জন্য ছয়টি কর্মসূচির অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের ফল তুলে ধরে বলেন, কৃমি দূরীকরণ, সাপ্তাহিক আয়রন ফলিক এসিড সরবরাহ, স্কুলভিত্তিক পুষ্টি শিক্ষা, মাল্টিপল মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সরবরাহ, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ ও স্কুলে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার দেওয়া হলে কিশোর-কিশোরীদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে।

বক্তারা বলেন, সংবিধানের মূলনীতির যে ২৫টি ধারা রয়েছে তার মধ্যে ১৮ নম্বর ধারায় পুষ্টির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এটি একটি মানবিক অঙ্গীকার। এখনো দেশের কোটি শিশু পুষ্টিহীনতার শিকার।