‘তালেবান আমার কন্যাকে হত্যা করেছে, স্ত্রীকে ধর্ষণ’

আফগানিস্তানে ঘুরতে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সহ তালেবানের হাতে অপহৃত য়ে ৫ বছর আটক থাকার পরে মুক্তি পাওয়া কানাডার নাগরিক জশুয়া বয়েল বলেছেন, জঙ্গিরা তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে এবং তার কন্যাশিশুকে হত্যা করেছে। গত বৃহস্পতিবার তাকে স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ পাকিস্তান সেনাবাহিনী আফগান সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করে।
 
ছাড়া পেয়ে দেশে ফিরে তিনি শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। জশুয়া বয়েল এবং তাঁর স্ত্রী ক্যাথলান কোলম্যানকে সহযোগী তালেবানের সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্ক ২০১২ সালে অপহরণ করে।২০১২ সালে পরিবারসহ আফগানিস্তানে "ব্যাকপ্যাকিং" ছুটি কাটানোর সময় তালেবান তাদের আটক করেছিল বলে খবরে জানা যায়।
 
দুই পরিবারের বাবা মায়েরা আগেও প্রশ্ন তুলেছিলেন আফগানিস্তানের মত ''ঝুঁকিপূর্ণ'' একটা দেশে সপরিবারে জশুয়া কেন বেড়াতে গিয়েছিলেন? তার স্ত্রীর বাবা জিম কোলম্যান বলেন, ‘আফগানিস্তানের মত বিপদজনক দেশে অন্তস্বত্তা স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া আমার মত মানুষের মতে অবিবেচকের কাজ হয়েছে।’
 
তবে জশুয়া বয়েলের দাবি বলেছেন তিনি সস্ত্রীক তালেবান নিয়ন্ত্রিত এলাকার গ্রামবাসীদের ত্রাণ দেবার কাজ করতে গিয়েছিলেন। তাদের যেখানে অপহরণ করা হয় সেখানে  ‘কোন ত্রাণকর্মী, কোন বেসরকারি সংস্থা ও সরকারি কর্মী’ আগে ঢুকতে পারেনি বলে তিনি জানান।
 
পাঁচবছর বন্দী অবস্থায় থাকাকালীন জন্মানো তিনটি সন্তান নিয়ে তারা ফিরেছেন। তবে তাদের চতুর্থ কন্যাসন্তানটিকে তালেবান হত্যা করেছে বলে বয়েল অভিযোগ করেছেন। সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছিল বয়েলের আগে একবার বিয়ে হয়েছিল ইসলামপন্থী এক নারীর সঙ্গে যিনি গুয়ান্তানামো বে-র এক সাবেক বন্দীর বোন। কিন্তু বয়েল এ খবর অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির