ফতুল্লায় গত শনিবার সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজের আগুনে দগ্ধ গৃহবধূ ফাতেমা মারা গেছেন। সেই অগ্নিকাণ্ডে তিন সন্তানসহ দগ্ধ হন ফাতেমা। রবিবার রাতে এক সন্তান সাফওয়ানের মৃত্যু হয়। গত শনিবারের অগ্নিকাণ্ডের পর তাদেরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। এখনও মৃত্যুর সাথে লড়ছে অপর দুই সন্তান ফারিয়া (৯) ও রাফি (১১)। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, ফাতেমা বেগমের শরীরের ৯৪ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি গতকাল সোমবার ভোরে মারা গেছেন।
এর আগে হাসপাতাল চিকিত্সকেরা জানিয়েছিলেন, আগুনে ফাতেমা বেগম ও তার তিন সন্তানের শরীরের ৯০ থেকে ৯৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।