সোনিয়া ধর্ষণ: পঞ্চগড়ে প্রধান আসামি ওয়ার্ডবয়কে সাময়িক বহিস্কার করা হয়নি

 
জেল হাজতে প্রেরণ করার পরও মনসুর আলম রাজনকে চাকুরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়নি। নিয়োগকারী কর্মকর্তা হিসেবে সিভিল সার্জন কোন কাগজ পাননি। তবে কাগজ পেলে ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। আদালতে আত্মসমর্পনের ২দিনেও রাজনকে সাময়িক বরখাস্ত না করায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। অনেকে সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।
 
মনসুর আলম রাজন তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ওয়ার্ডবয় হিসেবে কর্মরত। কাজী শাহাবুদ্দিন বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রহিমা আক্তার সোনিয়াকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী মামলার প্রধান আসামি রাজন। সোনিয়া ১০ অক্টোবর আত্মহত্যা করে। সেদিন থেকে রাজন পলাতক রয়েছেন। ওইদিনই রাজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল বারী কাছে ৭ দিনের ছুটি চেয়ে আবেদন করেন।
এদিকে সোনিয়ার মা সেলিনা আক্তার শনিবার মামলা করেন। এরপর পরই রাজন ও আতিক সোমবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৪ এ আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠান। এ ঘটনার পর পুলিশ আদালতে রাজনের আত্মসমর্পন ও জেল হাজতে প্রেরণের অবহিতকরণ প্রতিবেদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবরে পাঠান।
 
১১-১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রাজন পারিবারিক কারণে ছুটির আবেদন করলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল বারী ছুটি দেন। তেতুলিয়া থানা পুলিশের প্রেরিত অবহিতকরণ প্রতিবেদন তাৎক্ষণিকভাবে সিভিল সার্জন বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. পীতাম্বর রায় জানান, অফিসের কাজে আমি বাইরে আছি। অবহিতকরণ প্রতিবেদনটি আমি এখনো পাইনি। পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি