পার্কে দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ৩৫৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে তামিম ইকবাল ও লিটন দাসকে হারিয়ে বাংলাদেশ। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৮ ওভারে পাঁচ উইকেটে ২০৪ রান।
আগের ম্যাচের সেঞ্চুরি মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে আশা দেখা পাচ্ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৭০ বলে ৬০ রান করে অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল পয়েন্টের ওপর দিয়ে সীমানার বাইরে পাঠাতে গিয়ে জেপি ডুমিনির হাতে ধরা পড়েন তিনি। সাব্বির রহমান ১৩ বলে ১২ ও মাহমুদুল্লাহ ২৫ বলে ১১ রানে ব্যাট করছেন।
পাহাড় সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল করেছে বাংলাদেশ। ইনজুরি থেকে ফিরে শুরুটা ভালো ছিল তামিম ইকবালের। দারুণ ড্রাইভে, পুল শটে বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়েছিলেন একাধিকবার। কিন্তু ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ দেশসেরা ওপেনার। ২৫ বলে ২৩ রানে প্রিটোরিয়াসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে তামিম বিদায় নেন। তামিমের আউটের সময় বাংলাদেশের রান ১ উইকেটে ৪৪। এর দলীয় ৬৯ রানে ১২ বলে ১৪ রান করে আন্দ্রিলে ফিকোযাওয়ের বলে এলবিডব্লিউ হন লিটন দাস। ৬৯ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর জুটি বাঁধেন মুশফিক ও ইমরুল। তারা দুজন তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রানের জুটি গড়েন। এরপর দলীয় ১৬২ রানে ইমরান তাহিরের বলে এবি ডি ভিলিয়ার্সের হাতে ধরা পড়ে সাজঘরে ফেরেন ইমরুল। যাওয়ার আগে ৭৭ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৬৮ রান করে যান।
এর দ্রুত ফিরে যান সাকিব। দলীয় ১৭১ রানে ব্যক্তিগত পাঁচ বলে ৫ রান করে ইমরান তাহেরের বলে ডি ককের হাতে ধরা পড়েন তিনি। এদিকে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরি মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে আশা দেখা পাচ্ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৭০ বলে ৬০ রান করে অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল পয়েন্টের ওপর দিয়ে সীমানার বাইরে পাঠাতে গিয়ে জেপি ডুমিনির হাতে ধরা পড়েন তিনি।
এর আগে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এবি ডি ভিলিয়ার্সের ১৭৬ রানের সুবাদের নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৫৩ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
ইত্তেফাক/ইউবি