কালিয়ায় হত্যা মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় মামলার স্বাক্ষী ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্যকে পিটিয়ে আহত করেছে আসামিদের স্বজনরা। উপজেলার কচুয়াডাঙ্গা গ্রামে শুক্রবার দুপুরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। মারাত্মক আহতদের গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা জানান, জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে ৩১ মার্চ ভোরে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে কচুয়াডাঙ্গা গ্রামের বাবুল শেখের স্ত্রী রুমি বেগমকে একই এলাকার হিরু শেখের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী কুপিয়ে হত্যা করে। তারা বাবুলকেও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই ঘটনায় বাবুল বাদী হয়ে হিরুসহ ১৪ জনকে আসামি করে নড়াগাতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার অন্যতম একজন স্বাক্ষী হচ্ছেন বাবুলের মামা একই গ্রামের মৃত শামছুর রহমান শেখের ছেলে রফিক শেখ। মামলার আসামিরা উচ্চ আদালত হতে জামিনে বেরিয়ে আসার পর থেকে মামলাটি তুলে নিতে বাদী ও স্বাক্ষীদের উপর চাপ সৃষ্টি করে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়া রফিকের মাছের ঘের তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে রফিক ও তার পরিবারের লোকজন ঘেরের দিকে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে প্রধান আসামি হিরুর ভাইপো সাফায়াতের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একদল সন্ত্রাসী তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় রফিক শেখ (৪০) তার ছেলে যোগানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র দেলোয়ার হোসেন (১৫), রফিকের মা রুপবান বেগম (৬২), স্ত্রী লাকি বেগম (৩৫), তার ভাই নুরমিয়া (৪৮) ও ফুল মিয়াকে (৪৫) পিটিয়ে আহত করা হয়।
কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার ওসি মো. মাহাবুবুর রহমান মিনে বলেছেন, রুমি হত্যা মামলার বাদী বাবুল শেখ তাকে ফোনে ঘটনাটি জানিয়েছেন। অভিযোগ পেলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি