পিরোজপুরের কাউখালীতে তিন দিনের অবিরাম ভারী ও মাঝারি বর্ষণ এবং আমাবস্যার প্রভাবে জোয়ারের পানিতে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলী জমি ও মাছের ঘের।
নদী বন্দরে ২ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলায় অভ্যন্তরীণ সকল রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। তবে দুপুরের পর মধুমতি, অগ্রদূত প্লাস এবং ফারহান লঞ্চ কাউখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে যায়। এ দিকে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বেকুটিয়া -আমরাজুড়িফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।IMG0
নিম্নচাপ আর অমাবস্যার জোয়ারের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে কোথাও কোথাও ২ থেকে ৩ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়ে তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট। সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতার। আর এসব কারণে মানুষের বেড়েছে দুর্ভোগ। নদী-তীরবর্তী কাউখালী উপজেলার ফলইবুনিয়া, পাঙ্গাশিয়া, জোলাগাতি, চিরাপাড়া, বিজয়নগর, সুবিদপুর, সোনাকুর, আশোয়া, বাশুরী, রঘুনাথপুর, বেকুটিয়া, ধাবরী, গন্ধর্ব, আমরাজুরি, জয়কুল, ডুমজুড়ি, কুমিয়ান, আসপর্দী, কচুয়াকাঠী, গুচ্ছগ্রাম, বিড়ালজুড়ি, মেঘপালসহ উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
সয়না-রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাইদ জানান, তার ইউনিয়নে বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে যাওয়ায় ওই গ্রামের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এসব গ্রামে পানিতে মাছের ঘের ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে বলে জানান চেয়ারম্যান।
ইত্তেফাক/এমআর