নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি ২২৮টি আসন পেতে পারে। আর বিজেপি নের্তৃত্বাধীন জোট জয় পেতে পারে ২৭৪ টি আসনে। চলতি বছরের মার্চ ও এপ্রিলে প্রকাশিত সবগুলো জরিপের তথ্য সমন্বয় করে এ জরিপ প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি। কেন্দ্রীয় সরকার গঠনে দরকার ২৭২টি আসন।
জরিপে বলা হয়েছে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস ২০১৪ সালের ৪৪ আসনের ব্যর্থতা কাটিয়ে ৮৮টি কেন্দ্রে জয়লাভ করবে। কিন্তু বিজেপিকে তেমন সমস্যায় ফেলতে পারবে না। কংগ্রেস এবং ইউপিএ জোটের সহযোগী দল সব মিলিয়ে ১৪০টি আসন পেতে পারে। ঘোষিত ভাবে কংগ্রেস বা বিজেপির সঙ্গে নেই এমন দল এবং স্বতন্ত্ররা আরও ১২৯ টি আসন পেতে পারে।
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে লোকসভা নির্বাচন। সংসদের ৫৪৩ টি আসনের মধ্যে ২৭২ জিতলে তবে সরকার গড়তে পারে কোনও একটি দল বা কয়েকটি দলের জোট। এবার সাত দফায় ভোট হবে। ফলাফল প্রকাশ করা হবে ২৩ মে।
২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্যে একাই ৭১ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। তবে এবার উত্তরপ্রদেশে ধাক্কা খেতে চলেছে বিজেপি। সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টির বিজেপি বিরোধী জোট ৩৬ টি আসন পেতে চলেছে বলে উঠে আসছে। এই আসন সংখ্যা ৪০ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ নুসরাতের গায়ে আগুনের ঘটনায় আটক হয়নি সিরাজউদ্দৌলার প্রধান অনুগত নুর উদ্দিন
বিজেপির সঙ্গীদের মধ্যে বিহারের জনতা দল ইউনাইটেড ভাল ফল করবে। নীতিশ কুমারের দলকে সঙ্গে নিয়ে বিহারের ৪০ টির ৩১টি আসন পাবে। বিরোধী কংগ্রেস এবং আরজেডি ৯টি আসন পেতে পারে।
এই হিসেবে দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ ভারতের দল গুলির মধ্যে জগনমোহন রেড্ডির ওয়াইএসআর কংগ্রেস, টিআরএসের মতো দলের ফল খুব ভাল হতে চলেছে। অন্ধ্রপ্রদেশের ২৫টির মধ্যে ২১টি আসন পেতে পারে জগনমোহনের দল। মাত্র চারটি যেতে পারে বিজেপির দিকে। আবার তেলেঙ্গানার ১৭ টির মধ্যে ১৪ টি আসন জেতে পারে তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির কাছে।
ইত্তেফাক/টিএস