সামান্য বৃষ্টি হলে গৌরনদী পৌর সদরে জলাবদ্ধতা

গৌরনদী পৌরসভা দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হলেও আজ পর্যন্ত পানি নিষ্কাশনের জন্য পৌর সদরের অধিকাংশ মহল্লায়ই ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু হয়নি। এ কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই অধিকাংশ স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আর এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন পৌরবাসী। পৌর এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খাল ও বহু নালা ভরাট করায় পুরো বর্ষা মৌসুমে পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা লাঘবের জন্য ভরাট করা খাল ও নানাগুলো পুনঃখননসহ উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন পৌরবাসী। কিন্তু এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছে না পৌর কর্তৃপক্ষ।

 

পৌর ভবনের পার্শ্ববর্তী (চরগাধাতলী মহল্লার) কর্মকার পাড়া, শাখারী পাড়া ও ব্যাংকার পাড়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ওই এলাকার কয়েকটি সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকার লোকজন ভোগান্তিতে পড়েছেন। পৌরভবন থেকে মাত্র একশ’ হাত পশ্চিমে প্রয়াত হারান চন্দ্র কর্মকারের বাড়িতে প্রবেশের ইটের সড়কটি দুই ফিট পানির নিচে। পৌরভবন সংলগ্ন উপজেলা প্রানিসম্পদ কার্যালয়ের সামনে জমেছে হাঁটু পানি। পৌরভবনের পেছনে সনাতন কর্মকারের বাড়িতে প্রবেশের রাস্তাটিও পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়া পৌরভবনের সামনে প্রয়াত পৌর কাউন্সিলর সন্তোষ কুমার দত্ত বণিকের বাড়ির উঠোনে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পৌর সদরের উত্তর বিজয়পুর মহল্লার আল-হেলাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও টরকী বন্দর ভিক্টোরি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

গৌরনদী পৌরসভার বর্তমান মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান জানান, পৌরসভার বিভিন্ন মহল্লার গুরুত্বপূর্ণ খাল ও নালাগুলো স্থানীয়রা ভরাট করে ফেলেছে। যে কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য অচিরেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে তিনি জানান।

ইত্তেফাক/নূহু