দলে দলে বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ে মাগুরা পৌরবাসী বিপাকে পড়েছেন। প্রায় ৪ বছর ধরে পৌরসভার পক্ষ থেকে কুকুর নিধন বন্ধ। তাই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা।
অনেকেই কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কুকুরের কামড়ে আহতদের পৌরসভা থেকে ইনজেকশন দেয়া হতো। গত ২ বছর ধরে তাও বন্ধ রয়েছে। তবে পৌর কর্তৃপক্ষ বলেছে হাইকোর্টের নির্দেশে কুকুর নিধন বন্ধ রাখা হয়েছে।
মাগুরা শহরের একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, গত কয়েক বছর বেওয়ারিশ কুকুর নিধন বন্ধ থাকায় মাগুরা শহরে অস্বাভাবিকভাবে তা বেড়ে গেছে। বেড়েছে উপদ্রবও।
প্রায়ই পথচারীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে ভোরে ও সন্ধ্যায় শহরে হাঁটতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হচ্ছেন তারা। ইতিমধ্যে শহরের বাসিন্দারা নিজ উদ্যোগে কয়েকটি কুকুরকে বিষ খাইয়ে ও পিটিয়ে মেরে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন।
তাদের দাবি পৌরসভা যদি কুকুর হত্যা করতে না পারে তাহলে অন্তত কিছু কুকুরকে আটক করে রাখুক।
মাগুরা সদর হাসপাতালের সূত্র জানায়, প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫-৩০জন ভ্যাকসিন নিতে হাসপাতালে আসছেন। এর অধিকাংশই কুকুরের কামড় খেয়ে হাসপাতালে আসেন। তবে হাসপাতালে ভ্যাকসিনের যোগান কম। সেক্ষেত্রে রোগীদের খরচে বাজার থেকে কিনে ইনজেকশন দেয়া হচ্ছে।
মাগুরা পৌর মেয়র খুরশিদ হায়দার টুটুল জানান, পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট কুকুর নিধন বন্ধের জন্য আদেশ দিয়েছেন। আমরা এখন কুকুর নিধন করতে পারছি না। ফলে শহরে কুকুরের সংখ্যা বেড়ে গেছে। এ ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার নেই।
ইত্তেফাক/আরকেজি