মধুখালীতে ডিমওয়ালা ইলিশে বাজার ভরপুর

 
দীর্ঘ ২২দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকার পর গত দুই দিন ইলিশ ধরা শুরু হয়। ইলিশ ধরার দ্বিতীয় দিনে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ইলিশে ভরপুর দেখা যায়। কিন্তু বাজারে বর্তমানে যে ইলিশ আছে তার ৭৫ ভাগ মাছেরই পেটে ডিম।
 
মাছের দামও প্রকার ভেদে ৩শ' টাকা থেকে ৬শ' টাকা কেজি দরে পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা যায়। বুধবার সকালে মধুখালী পৌর সদর বাজার, মেছরদিয়া, মিলগেট বাজার এবং উপজেলার কামারখালী, বাগাট, নওপাড়া বাজারে বরিশাল, মহিপুর, মধুমতি, গড়াই এবং পদ্মার প্রচুর ইলিশ আমদানি হয়েছে। এখানে বরিশাল ও মহিপুরের ইলিশের চাইতে পদ্ম, গড়াই ও মধুমতির ইলিশের দামও কম। কিন্তু সব এলাকার ইলিশই ডিম ভরা মা ইলিশই বেশি।
 
মধুখালী পৌর বাজারে মাছ ব্যবসায়ী সিরাজুল, সহিদুল. ওহিদুল এবং আলাউদ্দিন বিশ্বাস জানান, মূলত ইলিশ ধরা আর কিছুদিন বন্ধ রাখা উচিত ছিল। আমরা এখন যে ইলিশ বাজারে বিক্রি করছি তার ৭৫ ভাগ মাছের পেটে ডিম ভরা। আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত মা ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলে প্রায় শতভাগ মা ইলিশ ডিম ছাড়তে সক্ষম হত। এবং মাছও বহুগণে বৃদ্ধি হত। মৎস্য অধিদফতর সঠিক হিসাব করে আগামীতে মা ইলিশ রক্ষার উদ্যোগ নিলে দেশে ইলিশের উৎপাদন বেড়ে যাবে বলে তাদের ধারণা।
 
ইত্তেফাক/জামান