কালাবদর ও তেতুলিয়া নদীর তীব্র ভাঙ্গনের মুখে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে সদ্য নির্মিত ৯৪নং বাহেরচর শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধ ব্যবস্থা না করেই ভবন নির্মাণ করায় তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
শ্রীপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার বিকেল পর্যন্ত অব্যাহত ভাঙ্গনের কবলে বিদ্যালয়টির ৮০ ভাগ বিলীন হয়ে গেছে।সম্প্রতি নিম্নচাপে জোয়ারের পানি বাড়লে বিদ্যালয়টি ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। জোয়ারের পানি নামতে শুরু করায় গত রাত থেকেই ভাঙ্গনের তীব্রতায় বিদ্যালয়টির সিংহভাগই বিলীন হয়ে গেছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে, গত ৩/৪ বছর ধরে ভাঙ্গনের তীব্রতায় শ্রীপুর ইউনিয়নের একের পর এক স্থাপনা বিলীন হলেও ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ২০১৬ সালে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়টি নির্মাণ কাজ শুরু করে এলজিইডি। কোটি কোটি টাকার সম্পদ নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে তা দেখেও প্রকৌলীরা নদীর পাশেই দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে এ বিদ্যালয়টি স্থাপন করে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নিয়ে এভাবে সরকারি টাকা নদীতে ফেলা হচ্ছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান। শ্রীপুর বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্লক ফেলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তার কোনো সুফল পাননি তারা।
IMG0
প্রসঙ্গত, শ্রীপুর ইউনিয়ন ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ নানান স্থাপনা নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে শিরোনামে গত ৫ জুলাই এবং ২৩ অক্টোবর দৈনিক ইত্তেফাক সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট দফতরের উদাসীনতায় দেড় কোটি টাকার সম্পদ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি