বৈশাখী

ইরশাদ জামিল

 

বৈশাখ শুরু মানে নিষ্ঠুর হাসি,

সারা দিন রোদে পোড়ে বাংলার চাষি।

বিকালটা হয়ে ওঠে দারুণ কোমল

থমথমে মায়া মাখা শান্ত-শ্যামল।

 

ঈশানের কোণে ভাসে আবছায়া মেঘ

ক্রমে হয় ঘনকালো বাড়ে উদ্বেগ।

মেঘ নয়, খ্যাপাষাঁড়! ছোটে ভনভন

মেঘে-মেঘে শুরু হয় সে কী গর্জন!

 

হুঙ্কারে ফুত্কারে কাঁপি থরথর!

ভেঙেচুরে, তেড়েফুঁড়ে ছুটে আসে ঝড়।

প্রলয়ের বীণ বাজে উঁচু গাছজুড়ে

ডালপালা শনশন ভেঙে পড়ে দূরে।

 

কোথা ধায় কোথা যায়, করে হাঁকডাক

আছাড়ি-বিছাড়ি মারে ঘুরে সাতপাক।

ঝড়ের ঝাপটা চলে ঘরবাড়ি-টিনে

তাণ্ডবে, নিরুপায় আশ্রয়হীনে।

 

প্রাণীকূল করে ত্রাহি! নেই নিস্তার

বিধাতাকে ডাকা ছাড়া কী উপায় আর।

কোথা থেকে ভেসে আসে আজানের ধ্বনি,

ঝড় যেন থেমে যায় ঠিক তক্ষুনি।

 

নেমে আসে বৃষ্টিটা—অঝোর ধারায়

বুকে চাপা ভয় কাটে, স্বস্তি বাড়ায়।

আঁধারের আবরণ সরে যায় ক্ষণে

শান্তির আলো হাসে সন্তর্পণে।

 

ঋতু বদলের খেলা প্রকৃতির ভাঁজে

সেই বৈশাখী দেখি চৈত্রের মাঝে।

 

 

কথা চিরন্তন

পুরুষ হইল শৌর্য, নারী হইল সৌন্দর্য

—বেদ

 

 

কামনা হইতে ভ্রান্তি জন্মে, ভ্রান্তি হইতে অধর্ম জন্মে

—বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

 

 

নারী হচ্ছে একটা আনন্দদায়ক বাদ্যযন্ত্র; প্রেম যার ছড় আর নর শিল্পী

—স্টেনডাল

 

 

যেখানে অর্থ নেই, সেখানে ভালোবাসাও দুর্লভ

—স্যার টমাস ব্রাউন