প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার আসামি কলারোয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাবেক পৌর কমিশনার আবদুল কাদের বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপজেলার সরসকাটি বাজার থেকে তাকে জনতা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
আবদুল কাদের বাচ্চু সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলার অন্যতম আসামি। তার বিরুদ্ধে রয়েছে স্বদলীয় নেতা সাতক্ষীরা জেলা মৎস্যজীবী দল সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান হত্যা মামলা। সে এ দুটি মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে পাঁচটি নাশকতার মামলা আছে।
কলারোয়ার সরসকাঠি পুলিশ ক্যাম্প ইন চার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) আলি তারেক জানান, আবদুল কাদের বাচ্চু সরসকাঠি বাজারে দলীয় লোকজন নিয়ে নাশকতার লক্ষ্যে শলাপরামর্শ করছিল। এ সময় জনতা তাকে ধরে পিটুনি দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে তাকে আটক করা হয়।
আলি তারেক আরো জানান আটকের সময় কাদেরের কাছে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি। ধারনা করা হচ্ছে ভিড়ের মধ্যে তার অনুসারীরা অস্ত্রটি নিয়ে পালিয়ে গেছে।
জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন আল মাসুদ জানান, কাদের বাচ্চু স্থানীয় জয়নগর ইউনিয়ন ও যুগিখালি ইউনিয়নের সন্ত্রাসীদের নিয়ে সরসকাঠি বাজারে বিএনপি নেতা বহু মামলার আসামি সোহাগ হোসেনের দোকানে বসে গোপন শলাপরামর্শ করছিলেন। এ সময় যুগিখালি ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সুমন হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কাদের বাচ্চুর করা আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন। এসময় দুই জনের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা কাদের বাচ্চুকে গনপিটুনি দেয়। এতে আব্দুল কাদের বাচ্চুর ডানহাত ভেঙে যায়। পরে খবর পেয়ে সরসকাঠি পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ তারেক তাকে আটক করে থানায় সোপার্দ করেন।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জিয়াউর রহমান জানান, আহত যুবদল নেতা বাচ্চুকে পুলিশ পাহারায় কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু