বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সরকার আবারও একটি অবৈধ নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র করছে। সেই ষড়যন্ত্র সফল করার জন্য জিয়া পরিবারকে নির্বাচনের বাইরে রেখে বিএনপির কোনো কোনো নেতাকে যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিয়ে আরেকটি পাতানো নাটক মঞ্চস্থ করে তবে সেই নির্বাচনে যেসব নেতারা অংশগ্রহণ করবেন তাদের পরিণতি মান্নান ভূঁইয়ার চেয়েও খারাপ হবে।
গয়েশ্বর রায় বলেন, খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়াকে জেলে দিবে আর আওয়ামী লীগ নির্বাচন দিবে সে নির্বাচনে বিএনপি যাবে, এমন পাগলতো বিএনপি হয়নি। ২০১৪ সালের মত নির্বাচন দেওয়ার শক্তি এদের নেই। সরকারের যতই বিদেশি বন্ধু থাকুক, দেশের মাটিতে খালেদা-বিএনপি ছাড়া আর কোনো নির্বাচন হবে না।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে জাতীয়তাবাদী বন্ধু দল আয়োজিত "চলমান রাজনৈতিক সংকট আগামী জাতীয় নির্বাচন কোনপথে বাংলাদেশ" শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, জনগণ সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ। তাদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে যোগ্য সাহসী নেতৃত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারছি না আমরা। এ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার করে আমরা ঘরে বসে আছি। রাজপথে নামছি না। এভাবে আন্দোলন হবে না।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা করে কিছু হবে না। আলোচনা হবে যারা আইন মানে, বিধান মানে এবং কথা শোনে। আওয়ামী লীগ তো ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। ভিন্নমত হলেই গ্রেফতার ও মামলা দেওয়া হয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মতপ্রকাশের ন্যূনতম স্বাধীনতা তারা পাচ্ছে না।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শরীফ মোস্তফা জামান লিটুর সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈশা, জিনাপের সভাপতি মিয়া মো. আনোয়ার, দেশ বাঁচাও-মানুষ বাঁচাও আন্দোলের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ইত্তেফাক/এমআই