চরম ভোগান্তিতে খালেদা জিয়ার কুমিল্লা অতিক্রম

যানজট ও গাড়ির চাকা বিকলের ফলে ভোগান্তির মধ্য দিয়ে কুমিল্লার ৯৭ কিলোমিটার সড়ক অতিক্রম করতে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সময় লেগেছে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। শনিবার দুপুর ২টার দিকে খালেদা জিয়া কুমিল্লার প্রবেশদ্বার দাউদকান্দিতে পৌঁছেন। পরে দাউদকান্দি, চান্দিনা, দেবিদ্বার, বুড়িচং, আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, চৌদ্দগ্রামসহ আশপাশের উপজেলা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সমবেত নেতাকর্মীদের দেয়া অভ্যর্থনার পয়েন্টসমূহ অতিক্রম করে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত অতিক্রম করেন। এর আগে নিরাপত্তার স্বার্থে দুপুর থেকেই মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব, ডিবি ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্য মোতায়েন করা হয়। 
 
জানা যায়, দলীয় নেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে সকাল থেকে মহাসড়কের দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে খালেদা জিয়া ও দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অভ্যর্থনা জানাতে সমবেত হন। দাউদকান্দিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে, চান্দিনায় খোরশেদ আলম, ইলিয়টগঞ্জে মুরাদনগর বিএনপি, দেবিদ্বারে সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর সমর্থকরা, নিমসার এলাকায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, আলেখারচর এলাকায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী আমিন-উর রশিদ ইয়াছিন, পদুয়ার বাজার এলাকায় সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর সমর্থকরা, সদর দক্ষিণের দয়াপুর থেকে সুয়াগাজী পর্যন্ত দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী ও চৌদ্দগ্রামে কামরুল হুদা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সমবেত হয়ে দলের নেত্রীকে অভিনন্দন জানান। 
 
কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া জানান, চান্দিনা ও সদর দক্ষিণে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সাথে আমাদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে।   
 
ইত্তেফাক/এমআই