ভাণ্ডারিয়া-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা সড়কের ভাণ্ডারিয়া অংশে মাদার্শী বেইলি সেতু ভেঙে যাওয়ার পর তিন উপজেলার ১২ রুটে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ দুই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে উপকূলীয় এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এ আঞ্চলিক সড়কে মঠবাড়িয়া, পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলার হাজার হাজার মানুষের চলাচ?লে দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভেঙে যাওয়া সেতুর স্থানে বিকল্প একটি কাঠের পুল নির্মাণ করলেও তা যানবাহন চলাচলের উপযোগী নয়।
গত ১২ আগস্ট সকালে মঠবাড়িয়াগামী দুটি পাথরবোঝাই ট্রাক ভাণ্ডারিয়ার মাদার্শী সেতু পার হওয়ার সময় প্রায় দুইশ ফুট দীর্ঘ বেইলি সেতুটি ভেঙে খালে পড়ে যায়। এতে খুলনা-পিরোজপুর-মঠবাড়িয়া এবং বরিশাল-ভাণ্ডারিয়া-মঠবাড়িয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে অন্তত ১২ রুটে সরাসরি যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বরগুনা, পাথরঘাটা ও মঠবাড়িয়ার সঙ্গে পিরোজপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনাসহ ১১টি রুটে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ থাকায় এ অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ যাত্রী চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, চরখালী-তুষখালী-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটার ৩৮ কি.মি সড়কে ২০টি বেইলি ব্রিজ রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়। ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। সেতুগুলোর স্থায়িত্ব ১০ বছর হলেও, সেগুলো স্থায়িত্বের প্রায় তিনগুণ সময় অতিক্রম করেছে। ফলে খুবই নাজুক অবস্থায় রয়েছে সেতুগুলো।
পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মাদার্শী বেইলি সেতু ভেঙে যাওয়ার পর সেখানে একটি সেতু নির্মাণের প্রকল্প প্রস্তাবনা কর্তৃপক্ষ বরাবরে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত দরপত্র আহ্বান করা হবে।
ইত্তেফাক/নূহু