শিশুদের মাথায় ভেঙে ভেঙে পড়ছে দাউদকান্দি উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের খানেবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদের ইট-সুরকি।
দাউদকান্দি উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের খানেবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৬৪ সালে স্থাপিত হয়। এরপর ১৯৯৫ সালে চার কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন এবং ২০০৮ সালে দুই কক্ষ বিশিষ্ট অপর একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। ১৯৯৫ সালে এবং ২০০৮ সালে নির্মাণ করা দুইটি ভবনই এখন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং নিরুপায় হয়ে এই দুইটি ভবনে জীবনের মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে পাঠদান ও পাঠগ্রহণ কর্মসূচি চালিয়ে নিতে হচ্ছে।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা গীতা রানী মজুমদার বলেন, একান্ত নিরুপায় হয়েই চারশত শিক্ষার্থীকে এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান করতে হচ্ছে। বিদ্যালয়টি ভেঙে নতুন ভবন স্থাপনের ব্যাপারে জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিকট আবেদন করে কোনো ফল পাওয়া যায়নি। কোন সময় যে জগন্নাথ হলের মত ছাদ ধসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীগণ জীবন হারায় তা বলা যায় না।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি মোস্তফা ভুঁইয়া বলেন, ‘এক সময়ে এ বিদ্যালয়টির নাম ছিল আফতাব মেমোরিয়াল ফ্রি প্রাইমারি স্কুল। কখন কিভাবে যে এর নাম পরিবর্তন হলো তা আমাদের বোধগম্য নয়। এ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ কাজে বড় ধরনের ঘাপলা হওয়ায় বা নিম্নমানের কাজ হওয়ায় ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দালানটি সাত/আট বছরের মাথায় ভেঙে গেছে।
দাউদকান্দি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র বিশ্বাসের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, ‘এ বিদ্যালয়টির করুণ অবস্থার বিবরণ দিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট কয়েক দফা লেখালেখি করা হলেও এ পর্যন্ত নতুন ভবন নির্মাণের কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।
ইত্তেফাক/নূহু