কমলনগর উপজেলা প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের পাঁচ বছরে ফাটল

কমলনগর উপজেলা প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের পাঁচ বছরের মধ্যে ভেঙে, ফেটে চৌচির। অনতিবিলম্বে এ বিয়ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করলে রানা প্লাজার মতো আরো একটি ধংসস্তুপ দেখতে হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন। আবাসিক ভবন গুলোরও একই দশা।

চারতলা ভবনের বেইজ বিম থেকে শুরু করে সমস্ত দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে গিয়ে দেখা যায় ভবনের ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ছে। এছাড়া ভবনের প্রায় সকল কক্ষের ছাদ সংলগ্ন দেয়ালে শ্যাওলার দাগ পড়েছে। পলেস্তারা ঝরে পড়ছে দেওয়ালগুলো থেকে। প্রশাসনিক ভবনে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীরা ভয়ে আছে।

অনেকে একে মৃত্যুকূপ মনে করছে। ভবনটির টয়লেট ব্যাবহার অনুপযোগী। দরজা বেসিন সব ভেঙে মেঝেতে পড়ে আছে। উপজেলার আবাসিক ভবনগুলোরও একই অবস্থা। বৃষ্টি এলে পুরো ভবনের ভিতরে পানিতে সয়লাব হয়ে যায়। ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ে ভিতরে।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের কার্যাদেশ অনুযায়ী ভবনের নির্মাণ শুরু ২ ফেব্রুয়ারি ২০১০ সমাপ্তি ১৪ আগস্ট ২০১১ সাল। নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এফ ই- ডি ই জয়েন্ট ভেঞ্চার ২০১২ সালে স্থানীয় প্রশাসনের নিকট ভবনটি হস্তান্তর করে। এর নির্মাণ ব্যয় তিন কোটি পনের লাখ টাকা।

উপজেলা প্রকৌশলী সোহেল আনোয়ার বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা তদন্তপূর্বক ব্যাবস্থা নিবেন। প্রথমিকভাবে তিনি নিম্মমানের কাজ ডিজাইন এবং প্রকৌশল অফিসের নির্মাণ কাজ তদারকিকে দায়ী করেছেন।

ইত্তেফাক/নূহু