সোনারগাঁওয়ের সাদিপুর ইউনিয়নের বরাব এলাকায় নিখোঁজের তিনদিন পর বাঁশ বাগান থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে তার বাড়ির পাশ থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
তবে পরিবারের দাবি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। শামীম নামের ওই যুবকের লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের বরাব গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে শামীম তিনদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। পরে মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের একটি বাঁশ বাগানে গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তবে ওই যুবকের ভাই শাহিন মিয়া দাবি করেন, তিনদিন আগে তার ভাই শামীম মিয়া নিখোঁজ হন। তার ভাই সুখের টেক এলাকার শাহিনা বেগম নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করেছে এমন কথা বলে শনিবার তাদের বাড়িতে তার শাশুড়ি ও ওই এলাকার লোকজন মিলে তাদের খোঁজ করে যায়। তার ভাই শামীম বাড়িতে না থাকায় ওই লোকজন চলে যায়। পরে ওইদিন বিকেলে দ্বিতীয় দফায় বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যায় শাহিনার শ্বশুর বাড়ির লোকজন।
কিন্তু শাহিনা আমার ভাইকে ভাই বলে ডাকতো। এ সুবাদে তারা মোবাইল ফোনে কথা বলতো। শাহিনার শ্বশুর বাড়ির লোকজন আসার পরদিন থেকে আমার ভাই নিখোঁজ হয়। তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর বুধবার বাড়ির পাশে বাঁশ বাগানে গলায় রশি পেঁচানো লাশ দেখতে পায়। তিনি আরো দাবি করেন, আমার ভাইকে হত্যা করে শাহিনার শ্বশুরবাড়ির লোকজন লাশ বাঁশ সাথে বেঁধে রেখে যায়।
সোনারগাঁও থানার ওসি মোরশেদ আলম পিপিএম বলেন, ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসলে এটি হত্যা না আত্মহত্যা জানা যাবে।
ইত্তেফাক/আরকেজি