পুনরাবৃত্তি চান স্মিথ

২০১৩-১৪ মৌসুমের ন্যায় আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজেও নিজ মাঠে ইংল্যান্ডকে ৫-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করতে চায় অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ।
 
আগামী ২৩ নভেম্বর ব্রিসবেনের ম্যাচ দিয়ে ইংলিশদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া। স্টিভ বলেন, ‘প্রথম টেস্ট সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আগের ন্যায় পারফর্ম করতে হবে এবং ২০১৩ সালে আমরা যা করেছি আশা করি তা আবারো করতে পারবো।’
 
নিজেদের মাঠে ব্রিসবেন থেকেই ২০১৩-১৪ মৌসুমের অ্যাশেজ শুরু করেছিলো অস্ট্রেলিয়া। প্রথম টেস্টেই ৩৮১ রানের বড় জয় পেয়েছিলো অসিরা। প্রথম টেস্টের ধারাবাহিকতায় পরের ম্যাচগুলোতেও দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে অস্ট্রেলিয়া। তাই ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করতে খুব বেশি সমস্যা হয়নি অসিদের। তাই পাঁচ ম্যাচের সিরিজে তৃতীয়বারের মত ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দেয় অস্ট্রেলিয়া। 
 
ওই আসরের মতো আবারো ইংল্যান্ডকে হারের লজ্জা দিতে চায় অস্ট্রেলিয়া। এমনটাই জানালেন অসি দলপতি স্মিথ, ‘ওই সিরিজটি আমাদের জন্য অবিস্মরণীয়। আমার সিরিজের শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছিলাম। ব্রিসবেনের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আমরা ৩১ বছর ধরে হারিনি। ওই সিরিজের মতো পারফরমেন্সে এবারো করতে মুখিয়ে আছি আমরা।’
 
স্মিথ আরো বলেন, ‘ইংল্যান্ডের কোচ ট্রেভর বেলিসকে আক্রমনাত্মক খেলা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সাফল্যের জন্য অস্ট্রেলিয়া মিডল-অর্ডারকে আরো বেশি কার্যকর হতে হবে।’
 
দলের মিডল-অর্ডারকে আরো বেশি কার্যকরের কারণ হিসেবে স্মিথ বলেন, ‘গেলো কয়েক বছর ধরে আমাদের ব্যাটিং অর্ডার হঠাৎ ধসে পড়ছে। আমার যতটুকু মনে হয়, সর্বশেষ ১৫ ম্যাচের মধ্যে ১৪টিতেই আমাদের ব্যাটিং অর্ডার ধসে পড়েছিলো। আমরা আসন্ন অ্যাশেজে এটি করতে পারবো না এবং ব্যাটিং অর্ডারে ছয় ও সাত নম্বরে আমাদের পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে। এই দু’টি পজিশন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মাটিতে গত অ্যাশেজে মিচেল জনসন, রায়ান হ্যারিস ও পিটার সিডল লোয়ার অর্ডারে ভালো রান করেছিলো। এটিই অনেক বেশি পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলো। আশা করছি এবারও হবে।’
 
আইসিসি টেস্ট র‌্যাংকিং-এ ব্যাটসম্যানদের তালিকায় শীর্ষে থেকে অ্যাশেজ শুরু করবেন স্মিথ। ৯৩৬ রেটিং নিয়ে সবার উপরেই আছেন তিনি। ২০টি সেঞ্চুরিতে ৫৯ দশমিক ৬৬ গড়ে ৫৬ টেস্টে ৫৩৭০ রান করেছেন অসি দলপতি। র‌্যাংকিং-এর দ্বিতীয়স্থানে আছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুট। বাসস।
 
ইত্তেফাক/রেজা