ডুমুরিয়ায় লাবনী খাতুন (৬) নামে এক বাক-প্রতিবন্ধী শিশুকে গোয়ালঘরে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে বাবা, সৎ মা ও দাদিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার বিকেলে উপজেলার আইতলা গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাঠকর্মী আফছার হোসেন বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন আইনে ডুমুরিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। প্রতিবন্ধী শিশুকে গল্লামারী সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু সেবা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বছরখানেক আগে শিশুর পিতা আফজাল হোসেন খান প্রথম স্ত্রীকে মানসিক রোগী বলে তালাক দেন। এরপর রুপা খাতুন (২০) নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। এর মধ্যে প্রথম স্ত্রী মারা যান। প্রথম পক্ষে আব্দুর রহমান (১৫) এবং লাবনী খাতুন (৬) নামে দুটি সন্তান রয়েছে। লাবনী কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাকে বাড়ির একটি পরিত্যক্ত গোয়াল ঘরে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হতো। দিনদিন তার অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। এ খবর জানাজানি হলে খুলনা সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম এবং ডুমুরিয়া সমাজসেবা অফিসের মাঠকর্মী আফছার হোসেন ডুমুরিয়া থানা পুলিশের সাহায্যে লাবনীকে গোয়লঘর থেকে উদ্ধার করে। পরে লাবনীর পিতা, সৎ মা ও দাদিকে গ্রেফতার করা হয়।
ইত্তেফাক/ইউবি