স্বামীর ঢেলে দেওয়া গরম পানিতে ঝলসে গেছে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী লতা আক্তার। লতার পাষণ্ড সেই স্বামী সুজন মিয়াকে ঢাকার আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার করেছে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। সুজন পুলিশের কাছে এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। সুজন মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার বেউথা গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি (অপারেশন) নুর মোহাম্মদ জানান, গত রবিবার দুপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুজন তার চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী লতা আক্তারের শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়। এতে লতা আক্তার চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করে। খবর পেয়ে লতার বাবা বিশা খা লতাকে রবিবার রাতে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনায় লতার বাবা বিশা খা বাদী হয়ে সোমবার বিকেলে মানিকগঞ্জ সদর থানায় সুজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করেন।
গরম পানিতে ঝলসে যাওয়া অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ লতা আক্তারের স্বামী সুজন মিয়াকে সোমবার রাতে আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। সে লতার শরীরে গরম পানি ঢেলে দেওয়ার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।
আরও পড়ুনঃ রাউজানে অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত ৯ বসতঘর
মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) রকিবুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত সুজনকে রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ইত্তেফাক/নূহু