সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় নিকলীর চার গ্রামের মানুষের ভোগান্তি

নিকলী উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া বাংলাবাজার- গোবিন্দপুর-বড়কান্দা সংযোগস্থল নরসুন্দা নদীর ওপর নির্মিত সেতু থাকলেও সংযোগ সড়ক নেই। ফলে উপজেলার চার গ্রামের মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সেতুটি জনগণের কোনো উপকারে আসছে না।

শুষ্ক মৌসুমে হেঁটে চলাচল করার জন্য বাংলাবাজারের ব্যবসায়ীরা কিছু মাটি ফেলে চলাচল করতে পারলেও বর্ষাকালে সেতুর দুই পার পানিতে ডুবে গেলে এটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এছাড়া তিন গ্রামের স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সংযোগস্থলের এ সেতুটি ব্যবহার করতে গিয়ে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনার শিকার হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বার বার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর ৭১ লাখ ৭০ হাজার ৭৬৪ টাকা ব্যয়ে নিকলীর নোয়াপাড়া-বাংলাবাজার-গোবিন্দপুর-বড়কান্দা সংযোগস্থল নরসুন্দা নদীর ওপর ৩৩ ফুট দৈর্ঘ্য একটি সেতু নির্মাণ করে।

ঠিকাদার তখন সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় সেতুটি দিয়ে এলাকার জনগণ হাঁটা ছাড়া আর কোনো যান চলাচল করতে পারছে না।

নদীর পূর্ব পাড়ে নোয়াপাড়া-বাংলাবাজারে সাপ্তাহিক বৃহস্পতিবার হাটে  যেতে চার গ্রামের মানুষ সেতুটি ব্যবহার করেন। সংযোগ সড়কের অভাবে সেতু দিয়ে যান চলাচল না করায় ব্যবসায়ীরা মাথায় মাল বহন করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাছাড়া বর্ষাকালে নৌকা চলাচলেও নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, সেতুটি নির্মাণের পর ঠিকাদার সেতুর দুই পাড়ে বালু মাটি দিয়ে ভরাট করার পর বিল দেওয়া হয়। বর্ষার পানির স্রোতে হয়তো সেতুর দুই পাড়ে বালু সরে গেছে।

ইত্তেফাক/নূহু