ঝালকাঠি পৌর শহরের সুতালড়ির হাজারো মানুষ নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বছরের পর বছর ধরে এলাকার প্রধান সড়কটি পাশের খালে বিলীন হতে চলছে। রাস্তা না থাকায় রিকশা-গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে সুখে-অসুখে হেঁটেই যোগাযোগ করতে হয় শিশু-বৃদ্ধ সবাইকে। বর্ধিত পৌর এলাকায় এখনও পৌঁছায়নি পানি সরবরাহ। এলাকার বিদ্যুত্ খুঁটিগুলো হেলে পড়ে দাঁড়িয়ে আছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে।
একযুগেরও বেশি সময় ধরে পৌর শহরের ৩নং ওয়ার্ডের এই এলাকাটিতে সুতালড়ি খালে বিলীন হতে চলছে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তাটি। দীর্ঘ এক কিলোমিটার সড়কের অর্ধেক অংশ কাঁচা। বাকি অর্ধেক অংশ খালে ভেঙেই চলছে। খালের ওপারে ইটভাটার বর্জ্য ফেলায় ভাঙন তীব্র হয়েছে। অনেক জায়গায় রাস্তার চিহ্নটুকুও বিলীন হয়ে গেছে। এলাকার যুবক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রথম শ্রেণির পৌরসভার বাসিন্দা হয়েও আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ের সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। দীর্ঘদিন রাস্তা না থাকায় রোগী বহন কিংবা মালামাল আনা-নেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সবাইকে। স্থানীয় শিক্ষক মিলন হোসেন বলেন, বিদ্যুত্ সরবরাহের খুঁটিগুলো হেলে পড়ে তৈরি হয়েছে ঝুঁকি।
বেশ ক’টি খুঁটির রোডলাইন বন্ধ হয়ে গেছে দীর্ঘদিন ধরে। আমাদের এসব নানাবিধ সমস্যার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার দাবি জানিয়েও কোনো ফল পাইনি। এ ব্যাপারে ঝালকাঠি পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার জানান, রাস্তাটির সঙ্গে খাল থাকায় বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায়ও রয়েছে। আর তাই এতদিন পানি উন্নয়ন বোর্ড আর পৌরসভার সমন্বয় না হওয়ায় রাস্তা নির্মাণ কাজ আটকে থাকে। তবে সম্প্রতি রাস্তাটি নির্মাণের জন্য পৌরসভার পক্ষ হতে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলে কাজ শুরু করা হবে।
ইত্তেফাক/নূহু