স্কুল মাঠে বাঁশের হাট

 
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে অবৈধভাবে বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বাঁশের হাট বসানোর অভিযোগ ওঠেছে। ফলে বিঘ্ন ঘটছে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম। প্রায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন সেখানকার শিক্ষার্থীরা।
 
সরেজমিনে জানা গেছে, আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের মহিষাশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এক একর ৭৯ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। তারই পাশে প্রতিষ্ঠিত মহিষাশহর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ। তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একই মাঠ ব্যবহার করে আসছে দীর্ঘদিন। সেই মাঠের দক্ষিণ পাশে বাজার বসতে বসতে সেটি বিদ্যালয় ঘেঁষে বসতে শুরু করেছে। এমনকি বাঁশের হাটও বসছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা তো দূরের কথা বিদ্যালয় মাঠ দিয়ে চলাচল করাও বেশ কষ্ট হয়। প্রায় প্রতিদিন কোন না কোন শিক্ষার্থী বাঁশের আঘাতে আহত হচ্ছেন।
 
মহিষাশহর সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) ইদ্রীস আলী জানান, বিদ্যালয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে হাট ও ইজারার বিধি চলে আসছে। তাই তিনিও বিগত সময়ের রীতি মেনে ইজারা দিয়েছেন। তবে বাঁশ হাট শুধু মাত্র সপ্তাহে একদিন বসে তাই তেমন কোন সমস্যা হয় না বলেও দাবি করেন তিনি।
 
মহিষখোচা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ সহকারী ভূমি অফিসার শামছুল আলম জানান, বিদ্যালয়ের জমি হিসেবে খাজনা আদায় করা হচ্ছে। তবে যদি তা বাজার হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকলে পেরিফেরির জন্য আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি। আদিতমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার চাঁন মিয়া জানান, বিদ্যালয়ের মাঠের পরিবেশ বিনষ্ট হয় এমন কাজ করা বেআইনি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
 
আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে দাবী করেন তিনি।
 
ইত্তেফাক/জামান