রাউজান উপজেলায় এক স্কুলছাত্রী নিজের বাল্যবিয়ে রুখতে আবেদন পত্র নিয়ে আশ্রয় নেন ইউএনও কার্যালয়ে। বৃহস্পতিবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা নির্বাহী আফিসার, রাউজান বরাবরে লিখিত আবেদন পত্রের বিষয়ে ছাত্রীটি লিখেন, ‘বাল্য বিবাহ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আবেদন’। আবেদন পত্রে ছাত্রীটি উল্লেখ করেন, তার নাম উম্মে হাবিবা মায়া, পিতা: আবু বকর, মাতা: রাশেদা আকতার। সে দলই নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার বয়স ১৫ বছর ৮ মাস। আবেদন পত্রে ছাত্রীটি মর্মস্পর্শী ভাবে উল্লেখ করেন, “ আমি বাল্য বিবাহের শিকার। তাই আমাকে এই বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা করে পড়ালেখার সুযোগ দিলে আমি আপনার নিকট কৃতজ্ঞ থাকিব। আমি লেখাপড়া করে দেশের সেবা করতে চাই।”
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার শামীম হোসেন রেজার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুল আবছার বাঁশি ইত্তেফাককে জানান, বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। ছাত্রীটির অভিভাবকদের উপজেলা কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়েছে। ইউএন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
IMG0
উল্লেখ্য, গত ৩১ অক্টোবর প্রিয়া আক্তার নামে উপজেলার পূর্বগুজরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণি এক ছাত্রী নিজেকে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা করতে বিবাহের আসর থেকে মাকে নিয়ে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন ইউএনওর বাসভবনে। ওই সময় ইউএনও শামীম হোসেন রেজা স্কুলছাত্রীর কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে মেয়েটির লেখাপাড়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি