পিলখানা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর আগামী ২৬ নভেম্বর রায় ঘোষণা করবে হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য এই দিন ধার্য করেছেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার। ওইদিন রায় ঘোষণার পর জানা যাবে পিলখানা বিদ্রোহ মামলায় কতজন জওয়ানের সাজা বহাল রইল।
গত ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ করে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছিলেন। প্রায় আট মাস পর মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলো।
১২ নভেম্বরের হাইকোর্টের এই বেঞ্চের দৈনন্দিন কার্যতালিকার এক নম্বর ক্রমিকে মামলাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ডেথ রেফারেন্স নং: ৫৮/২০১৩ (রাষ্ট্র বনাম আরডিও তৌহিদুল আলম ও অন্যান্য) মামলাটি ২৬ নভেম্বর রায় প্রদানের জন্য রাখা হলো। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ কার্যতালিকা প্রকাশ করা হয়।
এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম কৌসুলি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সারওয়ার কাজল ইত্তেফাককে বলেন, পিলখানার ঘটনায় ৫৭ জন উচ্চ পদস্থ সেনা কর্মকর্তাকে বিডিআর জওয়ানরা যেভাবে হত্যা করেছে তা অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অমানবিক।
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, আওয়ামী লীগের নেতা তোরাব আলীসহ ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয় ২৫৬ জনকে। আর খালাস পান ২৭৮ জন।
ইত্তেফাক/ইউবি