দাদাভাইয়ের জন্মদিনে কচি-কাঁচার আনন্দ আয়োজন

কচি-কাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই যে ভূমিকা পালন করেছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। শিশুদের সুন্দর চেতনা ও মননশীলতার বিকাশে দাদাভাই নিরলস কাজ করে গেছেন। শিশুদের সৃজনশীলতা চর্চার জন্য একটি শিশু সংগঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তিনিই প্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছেন। গতকাল মঙ্গলবার কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে রোকনুজ্জামান খান দাদাভাইয়ের ৯৪তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি লোকগবেষক ও মেলার ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য শামসুজ্জামান খান এসব কথা বলেন।

নানা আয়োজনে স্মরণ করা হয় বরেণ্য এই ব্যক্তিত্বকে। তাকে নিবেদন করে আলোচনা, স্মৃতিচারণ, নাচ, গান, আবৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা আয়োজনে সাজানো ছিল জন্মজয়ন্তির এই আয়োজন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দাদাভাইয়ের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন কচি-কাঁচার মেলা।

শিশু সদস্য আদিব কিবরিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দাদাভাইয়ের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন মেলার সভাপতি খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, সহ-সভাপতি দিল মনোয়ারা মনু, প্রবীণ সদস্য ড. মোহিত কামাল ও মেলার ছোট বোন ফাহরিন শাহান ছড়া। স্বাগত বক্তৃতা করেন কচি-কাঁচা মেলার সাধারণ সম্পাদক আলপনা চৌধুরী।

দাদাভাইয়ের চিঠি পাঠ করেন ছোট বন্ধু ওম। মেলার বন্ধুদের সম্মেলক কণ্ঠে ‘আলো আমার আলো’ গানটির পরিবেশনার মধ্যদিয়েই জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে।