বিএনপি নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে : সেতুমন্ত্রী

 
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি ইচ্ছে করে নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। বিএনপি জানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে না, নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র অধীনে নির্বাচন হবে। তারপরও তারা ইচ্ছা করে নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
 
বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়, না নির্বাচন সহায়ক সরকার চায়, তা নিয়ে এখন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) ইসির কাছে সহায়ক সরকারের দাবি করেছে। এটা তো কমিশনের এখতিয়ার নয়। তাদের এক নেতা বলেছেন তারা যে কোনো মূল্যে নির্বাচনে অংশ নেবেন। আবার আরেক নেতা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাবেন না। এ বিষয়ে আগে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহনের কথা বলেন কাদের।
 
আজ রবিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
 
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বিশ্বের প্রামান্য হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি দান উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
 
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার অসৌজন্যমূলক আচারনের জন্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক বোঝাপড়া সম্ভব হচ্ছে না।“রাজনীতি থেকে সৌজন্যতাও চলে গেছে। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘হাসিনা’ বলে সম্বোধন করেন। এতে আমাদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে।’
 
এ ধরনের রাজনৈতিক পরিবেশে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির ‘ওয়ার্কিং আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ কিভাবে হবে প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন মা হিসেবে খালেদা জিয়াকে সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীকে সেদিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। দরজা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। এ ধরনের অসৌজন্যমূলক আচারনের পর সংলাপের কি কোনো পরিবেশ থাকে। ঘরের দরজা বন্ধ করে সেদিন থেকেই সংলাপের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়। বাসস
 
ইত্তেফাক/কেকে