‘এসো মাতি উল্লাসে বসন্ত বাতাসে’

চারুশিল্পী সম্মিলন

মুহাম্মদ দিদারুল আলম

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

দখিনা হাওয়া, ঝরা পাতার শুকনো নূপুরের নিক্কন, প্রকৃতির মিলনে বসন্ত। চৈত্রের পড়ন্ত বেলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণ সেজেছিল অপরূপ সাজে। বসন্তের সাজের সঙ্গে নাচ ও বাউলের গানের সুর অনন্য করে তোলে চারুকলা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণকে।

‘এসো মাতি উল্লাসে বসন্ত বাতাসে’ এই পংক্তিমালাকে প্রতিপাদ্য করে বর্ণিল আয়োজনে গত ৫ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৮টায় এ বসন্ত উত্সব উদ্বোধন করেন কলকাতার আবৃত্তিশিল্পী ও গবেষক ডালিয়া বসু সাহা।

‘কুহেলীর দোলায় চড়ে এলো ঐ কে এলো রে? মকরের কেতন ওড়ে শিমুলের হিঙুলে বনে। পলাশের গেলাস-দোলা কাননের রংমহলা, ডালিমের ডাল উতলা লালিমার আলিঙ্গনে।’ কাজী নজরুল ইসলামের ‘বাসন্তী’ কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম চারুশিল্পী সম্মিলনের বসন্ত উত্সব শুরু হয়।

প্রতিবছরের মতো এবারো চট্টগ্রাম চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রাঙ্গণ রঙে, বর্ণে আর স্বাদে উদ্বেলিত হয়ে উঠেছিল।

বাচিকশিল্পী ডালিয়া বসু সাহা বলেন, ‘বসন্ত উত্সব অনেক ভালো লাগে। কারণ চারপাশে রঙের একটা আমেজ থাকে। একেক বছর এই উত্সবকে নতুন মনে হয়। এই বসন্ত শুধু উচ্ছ্বাসের রঙ ছড়ায় না। এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে উজ্জীবিত করে। আবারো তারই প্রমাণ মিললো বাংলাদেশে এসে। আজ চট্টগ্রামের চারুকলায় সুর, রঙ আর উচ্ছ্বাস ছড়ানো বসন্ত উত্সব আমাকে আবেগী করেছে।’

নৃত্যশিল্পী শুভ্রা সেন গুপ্তের পরিচালনায় ‘স্কুল অব ওরিয়েন্টাল ড্যান্স’ পরিবেশন করে ধ্রুপদী নৃত্য।