রায়পুরায় লোচনপুর গ্রামে অগ্নিদগ্ধের ঘটনায় থানায় মামলা

রায়পুরা উপজেলার উত্তর বাখরনগর ইউনিয়নের লোচনপুর গ্রামে চারজন অগ্নিদগ্ধের ঘটনায় রায়পুরা থানায় ৭ জনের নাম ও অজ্ঞাত আরও ৪ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহতদের বড় বোন রত্না আক্তার বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার ভোরে লোচনপুর গ্রামে সামসুউদ্দিনের বাড়িতে দৃর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে তিনবোনসহ চারজন দগ্ধ হন।

এর আগে, মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার উত্তর বাখরনগর ইউনিয়নের লোচনপুর গ্রামে দৃর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে তিনবোনসহ চারজন দগ্ধ হওয়ায় ঘটনা ঘটে। অগ্নিদগ্ধরা হলেন উপজেলার লোচনপুর গ্রামের সামসুল মিয়ার মেয়ে প্রীতি (১১), সুইটি (১৩), মুক্তা (১৬) এবং তাদের ফুফু আব্দুল খালেকের স্ত্রী খাতুন নেছা (৬৫)। আহতদেরকে প্রথমে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় এবং পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের অবস্থা খুবই গুরুতর বলে জানা গেছে। 

রায়পুরা থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জমি সক্রান্ত বিষয় নিয়ে লোচনপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার সাথে একই গ্রামের বিপ্লবের পূর্ব শত্রুতা চলে আসছিল। তাদের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার কারণে ইতিপূর্বে দুলাল মিয়াকে হত্যা করা হয়। এ নিয়ে বিপ্লব গংদের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে অভিযুক্ত বিপ্লব মিয়ার পরিবার পলাতক ছিল। গত সোমবার বিপ্লব পরিবার নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন এবং সেদিন রাতেই নিজ ঘরে অগ্নিদগ্ধ হয় বিপ্লব মিয়ার তিন বোন ও ফুফু। তবে কীভাবে অগ্নিদগ্ধের এ ঘটনা ঘটেছে তা জানেন না স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন:  শিক্ষকের প্রহারে দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ, বরখাস্ত শিক্ষক

এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো একই গ্রামের দুলাল গাজীর পুত্র মাহমুদুল হাসান ওরফে রবিন (২৬) ও মৃত সোহরাব হোসেনের পুত্র মামুন (১৯)। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রায়পুরা থানার পুলিশ পরিদর্শক লুৎফর রহমান জানান, 'পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে'।

ইত্তেফাক/ জেডএইচডি