বিন্দু, রেখা, তল ও ত্রিমাত্রিক জগত
বিন্দু, রেখা ও তল ও ত্রিমাত্রিক জগত সম্পর্কে প্রথম সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও সংজ্ঞা প্রদান করেছে চীনা দার্শনিক মাও জ্যু (Maw Dzu) ও তার অনুসারীরা খৃস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে। ‘মাউ জিং’ (Maw’s Classic) নামক একটি দার্শনিক বিশ্লেষণ সম্পর্কিত বইয়ে তারা বিন্দুকে রেখার দৈর্ঘ্যহীন অংশ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন। একই বইয়ে রেখা ও তলের সংজ্ঞা দিয়েছিলেন। তারাই প্রথমে দেখিয়েছিলেন, এ বিশ্বজগতের গঠন ত্রিমাত্রিক।
ত্রিকোণমিতি
ত্রিকোণমিতির উদ্ভাবন ও বিকাশের পেছনে প্রথম কাজ করেছেন খৃ:পূ; ২য় শতাব্দীতে গ্রীক বিজ্ঞানীরা, যাদের মধ্যে হিপারকাস (Hipparchus) অগ্রগণ্য। তিনি মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় ও রোডেসে কাজ করতেন। পরে খ্রিস্টীয় ৯ শতাব্দীতে মুসলিম বিজ্ঞানী আবু আব্দুল্লাহ আল-বাতানী ও হাবাস আল-হাসিব ত্রিকোণমিতিতে tangent, sine, contangent এবং cosine সংযোজন করেন।
খৃস্টপূর্ব ২য় শতাব্দীর মেসোপটোমিয়ান গণিতবিদ থেকে ষোড়শ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত বিভিন্ন গণিতবিদ বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে লগারিদমের বিচ্ছিন্ন ব্যবহার করলেও লগারিদম গণিতের স্বতন্ত্র ও পূর্ণাঙ্গ শাখা হিসেবে বিকশিত হয়নি। ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে স্কটিশ গণিতবিদ জন নেপিয়ার সর্বপ্রথম এ কাজটি করলেন তার ‘Mirifica Logrithonorum Canonis Descriptio’ হইতে।
০