১০ বছরে পৃথিবীর সেরা গার্মেন্টস বান্ধব দেশ হবে বাংলাদেশ: আইয়ুব নবী খান

তৈরি পোশাক খাত থেকে থেকে চীনের সরে যাওয়ার সম্ভাবনায় আগামী ১০ বছরে বিশ্বের সেরা গার্মেন্টস বান্ধব দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ। এছাড়া বিশ্বের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব গ্রিনফ্যাক্টরি বলতে বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশকেই বোঝে। বাংলাদেশকে এই সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিজেএমই ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির প্রো ভিসি আইয়ুব নবী খান। ইত্তেফাক অনলাইনের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাতকারে তিনি দেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৈরি পোশাক খাতের গুরুত্ব ও সম্ভাবনার নানা দিক নিয়ে আলোকপাত করেন। পাঠকদের জন্য সেই কথোপকথন হুবহু তুলে ধরা হল:
 
আরএমজি সেক্টরে দেশী জনবলের অংশগ্রহণের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা আপনি কিভাবে দেখছেন?
 
আমাদের দেশে আরএমজি সেক্টরে টেক্সটাইলে বিশাল জনসম্পদের দরকার। শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ দরকার। একটা ভাল প্রতিষ্ঠান থেকে যদি শিক্ষা নিয়ে যেতে পারে তাহলে তাদের চাকরির সুযোগ আছে। এখানে উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজের সুযোগ আছে। আমাদের মোট বৈদেশিক মুদ্রার প্রায় ৮৫ শতাংশই আসে এই খাত থেকে। এখানে প্রচুর পরিমাণ বিদেশি লোক কাজ করছে। আমরা যদি এইটা আমাদের লোকজন দিয়ে পূরণ করতে না পারি তাহলে আমরা তো বিদেশিদের উপর নির্ভরশীল হয়ে যাবো। যেটা আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। এ জন্য আমাদের দেশের গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির সবাই চায়,যেন আমাদের দেশের ছেলেরা যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষ হয়ে বের হয়ে আসে এবং আমাদের চাহিদা পূরণ করে। 
 
কবে থেকে আপনাদের যাত্রা শুরু হয়?
 
১৯৯৯ সালে আমাদের যাত্রা শুরু। বিআইএফটি হিসেবে। এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ একটি ইন্সটিটিউট হিসেবে শুরু করি। ২০১২ সালে আমরা বিইউএফটি হিসেবে যাত্রা শুরু করি। আমাদের দেশের গার্মেন্টস সেক্টরের মিড লেভেলে অধিকাংশ কর্মকর্তা ইন্ডিয়া, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম কিংবা অন্যান্য দেশের ম্যানপাওয়ার কাজ করছে। এক্ষেত্রে আপনারা কতটুকু চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়েছেন বলে মনে করেন। ১৯৮০ সালের দিকে গার্মেন্টস সেক্টর উৎকর্ষ লাভ শুরু করে। সেসময় আমরা আসলে আমাদের দেশের মানবসম্পদের দিকে নজর দেওয়ার সুযোগ পাই নি। সেসময় বাইরে থেকে দক্ষ লোক এনে আমরা আমাদের চাহিদা পূরণ করেছি। এরপর ১৯৯৯ সালের দিকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু। এখন এই সেক্টরের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশি দক্ষ মানবসম্পদের কোন বিকল্প নেই। এদিকেই আমরা এখন নজর দিচ্ছি। এখন ব্যাপক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শুরুর দিকে ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী আমরা ছাত্র ভর্তি করতে পারতাম না। আসন সংখ্যা খুবই সামান্য ছিল। চাহিদা অনুযায়ী আমাদের তৈরি হতে সময় লাগে। এখন চাহিদার মোটামুটি পুরোটাই আমার পূরণ করতে পারছি। তবে ইংরেজিতে দক্ষতার ক্ষেত্রে আমরা এখনও কিছুটা পিছিয়ে আছি। আমরা হয়তো স্মার্টলি নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারি নি। আমাদের বিদ্যা-বুদ্ধি বিদেশিদের চেয়ে কম না। বড় বড় বায়িং হাউজে এখন আমাদের ছেলেরা বড় বড় পজিশনে কাজ করছে।
 
IMG0
 
এই সেক্টরে যে ধরনের প্রযুক্তি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটা যুগোপযোগী কিনা, সেটা পরিবর্তনের সময় এসেছে কি না?
 
ইন্ডাস্ট্রি প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে। এর সাথে আমাদের দরকারি প্রযুক্তির আপডেট অবশ্যই দরকার। কিন্তু সবখানে পুরোপুরি অটোমেশনে যাওয়ার মত পদক্ষেপ নেওয়ার সময় হয় নি এখনও। 
 
এখন পর্যন্ত কতজন ছাত্র-ছাত্রী এখান থেকে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট বের হয়েছে এবং তারা কোথায় কাজ করছে?
 
এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার ছাত্র-ছাত্রী আমাদের এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে বের হয়ে গেছে। তাদের মধ্যে অনেকেই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। আবার অনেকেই চীনে কাজ করছে। চীনের সাথে আমাদের খুবই ভাল একটি সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের ট্রাস্টিবোর্ডের সহযোগিতা ও গতিশীলতার কারণে এখন আমরা অনেক বেশি ছাত্র-ছাত্রীকে যথাযথ মানসম্মত শিক্ষার নিশ্চয়তা দিতে পারছি। 
 
গ্রাজুয়েশন শেষ করে বের হওয়ার পর তারা কেমন বেতনে চাকরিতে প্রবেশ করছে?
 
শুরুতে তারা ১৫-২০ হাজার বেতনের চাকরিতে যোগদান করে। ৬ মাস পর সেটা ২৫-৩০ হাজার হয়। এবং যারা ভাল করে তাদের ৩-৪ বছরে তাদের বেতন ১ লাখের কাছাকাছি হয়। 
 
এখানে পড়াশোনার খরচ কেমন হয় এবং কোন এলাকার ছাত্ররা বেশি আসে, ছাত্র-ছাত্রীর আনুপাতিক হার কেমন?
 
আমাদের এখানে খরচ মধ্যম মানের। ৪ বছরের কোর্সে সব মিলিয়ে ৫-৬ লাখ টাকা খরচ হয়। নিম্ন-মধ্যবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছাত্ররাই বেশি আসে এখানে। তবে উচ্চবিত্তরাও আসে। এখানে ভর্তি হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উত্তরবঙ্গের ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যাই বেশি। আমাদের ফ্যাশন ডিজাইনে মেয়েদের অনুপাত ৫০ শতাংশ। তবে অন্যান্য বিষয়গুলোতে ছেলে মেয়ের অনুপাত ৮০-২০ এর মতো। তবে শুরুর দিকের সাথে তুলনা করলে মেয়েদের অংশগ্রহণ এখন বাড়ছে। একই সাথে বাড়ছে ছাত্র ও শিক্ষকের সংখ্যাও। আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে প্রায় ৪৫ শতাংশ এখন নারী। ১৯৯৯ সালে মাত্র ২২ জন শিক্ষক নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করি। এখন সেটা ১৩২ এ দাঁড়িয়েছে। 
 
ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসনের জন্য হোস্টেল সুবিধা আছে কি না?
 
এই মুহূর্তে আমাদের হোস্টেল সুবিধা নেই। তবে যাত্রার ৫ বছরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হয়েও নিজস্ব ক্যাম্পাসে চলে আসি। ৫ লক্ষ স্কয়ার ফিটের এই ক্যাম্পাস বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক বলা যায়। আগামী দিনে আমরা ছাত্রদের জন্য হোস্টেল করবো। 
 
আরএমজি সেক্টরের উন্নয়নে আপনারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন কি না।  আমাদের এখানকার শিক্ষক ও ছাত্ররা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন সৃষ্টিশীল ফ্যাশনের পোশাক তৈরি করে। সেগুলো ফ্যাশন শো’র মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন ফ্যাশন সৃষ্টি করা হচ্ছে। এগুলো বহির্বিশ্বের কাছে অন্যরকম আবেদন সৃষ্টি করছে এবং বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। প্রতিবছর এই ফ্যাশন শো’র আয়োজন করা হয় এবং প্রতি সেমিস্টার শেষে ছাত্র-ছাত্রীরা পোর্টফোলিওর মাধ্যমে তাদের কৃত কাজ প্রদর্শন করে। আমরা আরও কিছু পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। আমাদের দেশের এলাকাভিত্তিক ঐতিহ্যগুলো তুলে ধরবো আমরা। মসলিন, জামদানির মতো ঐতিহ্যকে আমরা তুলে ধরছি। এবং ডায়িং এর মতো বিষয়গুলোকে আরও উন্নত কিভাবে করা যায় সেটাও আমাদের গবেষণায় রয়েছে।
 
IMG1
 
এখানে মোট কতগুলো বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার সুযোগ রয়েছে?
 
গ্রাজুয়েশন লেভেলে ৭টি, মাস্টার্স লেভেলে ৩টি,পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা লেভেলে ২টি কোর্স আছে। এর পাশাপাশি মার্চেন্ডাইজিংয়ের উপরে কিছু সার্টিফিকেট কোর্স আছে। সার্টিফিকেট কোর্স মূলত তাদে গার্মেন্টস সেক্টরে সুপারভাইজার লেভেলে কাজ করে তাদের জন্য। ন্যূনতম এইচএসসি পাশ হওয়া লাগে তাদেরকে।  সিএসআর কোর্স আছে আমাদের এখানে যেটা বাংলাদেশে আর কোথাও নেই। নেদারল্যান্ড সরকারের সাথে একটি সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের এই প্রোগ্রামটি চলছে। সিএসআর এর উপর ৫টি গবেষণার কাজ হবে। এটা দাতব্য পরিকল্পনা নয়, বরং এটাও একটি বাণিজ্যিক পরিকল্পনা। এটা সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই আসা। কর্মচারীদের নিরাপত্তা, তাদের স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে তাদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষাও বিষয়টিও নিশ্চিতও করা হবে এখানে। এখানে ছোট ছোট বিজনেস মডেল আমরা তৈরি করবো এবং প্রতিষ্ঠানসমূহকে অফার করবো। এছাড়া আইএলও, অন্যান্য ব্রান্ড ফোরাম, বিএমইটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোরও কোর্স আমাদের এখানে চলছে। 
 
সিমেন্ট খাতসহ অন্যান্য খাতে পণ্যের স্বীকৃতির যেমন বিষয় আছে তেমনটা গার্মেন্টস সেক্টরে বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে আপনাদের কোন পরিকল্পনা আছে কি?
 
হ্যাঁ, অবশ্যই আমাদের তেমন প্ল্যান আছে। আমরা সিএসআর নিয়ে যে প্লান করছি সেটাতে এটা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বেঞ্চমার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এখানে তাদেরকে ব্র্যান্ডিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।যেহেতু আমরা নেদারল্যান্ডস ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় এই প্রজেক্টগুলো করতেছি, তাই এসব কারখানাগুলোকে বেঞ্চমার্কিংয়ে সুবিধা হবে বলে আমরা আশা করি। যার মাধ্যমে বিদেশী ক্রেতারাও যাচাই বাছাই করে নিতে পারবে।
 
নতুন যারা এ পেশায় আসতে আগ্রহী তাদের প্রতি আপনার পরামর্শ ?
 
এই সেক্টরে পড়াশোনার জন্য বিইউএফটি উন্নত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। সর্বোত্তম শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। সার্বিকভাবে কর্মমুখী শিক্ষা দেওয়ার জন্য আমরা তৈরি। বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ তরুণ, তাদের  জন্য কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য আমরা প্রস্তুত। তারা নিজেরাও উদ্যোক্তা হিসেবে দাঁড়াতে পারে। বিদেশী নির্ভরতা কমিয়ে আমরাই দেশেই স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে। আগামী আমরা আরও ৫-৬টা নতুন কোর্স শুরু করবো। আমাদের এখানকার সার্টিফিকেট আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত। তাই এখান থেকে পড়াশোনা করে দেশের বাইরে যে কোন দেশে গিয়েও তারা কাজ করতে পারবে। শিক্ষা প্রশিক্ষণকালীন সময়ে ভাতাও দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে যুবক ও নারীরা বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। 
 
ইদানীংকালে প্রায়ই শোনা যায়,আরএমজি সেক্টর এখন আর লাভ জনক নয়। এর কারণ কি এবং প্রতিকার কি বলে আপনি মনে করেন?
 
এর মূল কারণ হলো আমরা বেসিক উৎপাদনে সীমাবদ্ধ আছি। আমরা শুধুমাত্র শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, সোয়েটার এই ধরনের ৫-৬টি আইটেমেই সীমাবদ্ধ আছি। কিন্তু আমাদের এখান থেকে বের হতে হবে। অন্যান্য আইটেম নিয়ে কাজ করার সময় এসেছে। কিন্তু টেক্সটাইলের ক্ষেত্রে কিন্তু আমরা সীমাবদ্ধ নই। আমাদের হোম টেক্সটাইল, মেডিকেল টেক্সটাইল, জিও টেক্সটাইলের মতো অনেক প্রোডাক্ট আছে। এই প্রডাক্টগুলো নিয়ে যদি আমরা বেশি কাজ করতে পারি, তাহলে আমাদের বেসিক গার্মেন্টস থেকে যে পরিমাণ বিদেশী মুদ্রা অর্জন করতে পারি তার চেয়ে বেশি এখান থেকে উপার্জন করা সম্ভব। আগামী দিন গুলোতে বিশ্বে আরএমজি সেক্টরের বাণিজ্য ৬৫০-৭০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে ঠেকবে। এখান থেকে মাত্র ৫-৬ শতাংশ আমরা বাংলাদেশকে সাপোর্ট দিই। আমরা চায়নার প্রভাবটা ভালভাবে কাজে লাগাতে পারি। এটা ধারণা করা হচ্ছে যে, চায়না এই সেক্টর থেকে সরে যাচ্ছে। তারা মূলত হাইটেকে চলে যাচ্ছে। তাদের এই জায়গাটা আমাদের ধরে নেওয়ার খুবই ভাল সুযোগ রয়েছে। চায়না যেখান থেকে সরে যাচ্ছে, আমরা সেখানে ঢুকে যেতে পারি। আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে সেরা গার্মেন্টস বান্ধব দেশে পরিণত হতে পারে। এটা বিদেশী ক্রেতারাও বিশ্বাস করে। বিশ্বের মধ্যে গ্রিনফ্যাক্টরি বলতে বাংলাদেশের চেহারাই আগে ভেসে ওঠে। এই সম্ভাবনা আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
 
এই সেক্টরে মালিকদের আয় কমে যাওয়ার যে বিষয়টি শোনা যায়, সেটার মূল কারণ হল আনুষঙ্গিক খরচ আগের চেয়ে অনেক বেড়ে যাওয়া। এর ফলে তাদের মুনাফার পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে তাদেরকে যেটা করা দরকার সেটা হল, বিদেশী ক্রেতাদের বোঝানো এবং তাদের পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে নেওয়া। বায়িং হাউজগুলোতে অনেক বিদেশী নিয়োগ হয়, তারা মূলত বিদেশীদের স্বার্থই বেশি দেখে। সেখানে আমাদের দেশী জনবল নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমে বিদেশী ক্রেতাদের কনভিন্স করে দেশের স্বার্থ আগে দেখে সেই অনুযায়ী মূল্যনির্ধারণ করতে পারে।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির