পাকিস্তানে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

যথাযথ মর্যাদা ও ভাব-গম্ভীর পরিবেশে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশের ৪৬তম সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হয়েছে। ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিরক্ষা শাখা এই দিবসটি উপলক্ষে ২১ নভেম্বর সন্ধ্যায় স্থানীয় হোটেল মেরিয়টে সংবর্ধনার আয়োজন করে। বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খন্দকার শফিউর রহমান তাঁর স্বাগত বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও গৌরবময় অবদানের কথা বর্ণনা করেন।
 
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই দিনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠন করা হয়। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এখন আন্তর্জাতিক মহলে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত একটি নাম। এই বাহিনী এখন দেশের জনগণের নির্ভরতার প্রতীক ও বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার দূতে পরিণত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে হাইকমিশনার তারিক আহসান বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অভিনন্দন জানান। তিনি মুক্তিযুদ্ধসহ দেশে রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সদস্যদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।IMG0
 
তিনি বলেন, স্বাধীনতা লাভের পরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর যে আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ কাজ শুরু হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রতিককালে তা আরও বেগবান হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীতে নারী সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি, আর্তমানবতার সেবা ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নেতৃত্বমূলক অবদান রাখার কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, এ সকল কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দেশে-বিদেশে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।
 
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে হাইকমিশনার তারিক আহসান স্বাধীনতাযুদ্ধে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সদস্যদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধের চেতনায় অনুপ্রাণীত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। 
 
ইত্তেফাক/এমআই