শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রাণান্তকর চেষ্টার পরও কুমিল্লা ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আসিফ আহমেদকে বাঁচানো গেল না। তাকে বাঁচাতে হেলিকপ্টারে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। লাইফ সাপোর্টে থাকার পর বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়। আসিফ জেলার বুড়িচং উপজেলার পীর যাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী জামাল হোসেনের ছেলে। বৃহস্পতিবার বিকালে গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জানা যায়, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় গত মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পারাপারের সময় দ্রুতগামী একটি বাসের ধাক্কায় কুমিল্লা ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আসিফ আহমেদ গুরুতরভাবে আহত হয়। তাকে প্রথমে কুমিল্লা সেনানিবাসের সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকাল ৩টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান জানান, ওই শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার খবর শুনেছি। তবে নিহতের পরিবার কিংবা কলেজের পক্ষ থেকে এখনও অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইত্তেফাক/এমআই