ইংল্যান্ডের ৩০২ রানের ভালোই জবাব দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

বোলারদের নৈপুণ্যে অ্যাশেজ সিরিজে ব্রিজবেন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ৩০২ রানে গুটিয়ে দিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। জবাবে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৬৫ রান তুলেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। ৬ উইকেট হাতে নিয়ে এখনো ১৩৭ রানে পিছিয়ে অসিরা। 

মার্ক স্টোনম্যানের ৫৩ ও জেমস ভিন্সের ৮৩ রানের সুবাদে প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৯৬ রান তুলেছিলো ইংল্যান্ড। দিন শেষে ডেভিড মালান ২৮ ও মঈন আলী ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিন মালান অর্ধশতকের দেখা পেলেও, ৩৮ রানে থেমে যান মঈন। অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার নাথান লিঁও বলে লেগ বিফোর হন মঈন। 
টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৫৬ রানে থামতে হয় মালানকে। অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্কের বলে আউট হবার আগে ১৩০ বল মোকাবেলায় ১১টি চারে নিজের ইনিংস সাজান মালান। দলীয় ২৪৯ রানের মধ্যে মালান ও মঈন ফিরে যাবার পর বেশিক্ষণ উইকেটে টিকতে পারেননি উইকেটরক্ষক জনি বেয়ারস্টো ও ক্রিস ওকস। বেয়ারস্টো ৯ ও ওকস শূন্য হাতে ফিরেন। এরপর স্টুয়ার্ট ব্রড ও জ্যাক বলের দু’টি ছোট্ট ইনিংসের কল্যাণে দলীয় স্কোর ৩শ স্পর্শ করে ইংল্যান্ডের। ব্রড ২০ ও বল ১৪ রান করেন। শেষ ব্যাটসম্যান জেমস এন্ডারসন ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে স্টার্ক ও কামিন্স ৩টি করে উইকেট নেন।
এরপর নিজেদের ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমে ৩০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা ক্যামেরন ব্যানক্রফট ৫ ও তিন নম্বরে নামা উসমান খাজা ১১ রান করে ফিরেন। এরপর বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। কিন্তু ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙ্গেন ইংল্যান্ডের বল। ২৬ রান করে ফিরেন ওয়ার্নার। পাঁচ নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন পিটার হ্যান্ডসকম্ব। ১৪ রান করে ইংল্যান্ডের পেসার এন্ডারসনের শিকার হন তিনি। দলীয় ৭৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর ইংল্যান্ড বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন স্মিথ ও শন মার্শ। শেষ পর্যন্ত দিন শেষে অবিচ্ছিন্নই থাকেন তারা। জুটিতে ৮৯ রান যোগ করেছেন স্মিথ ও মার্শ। 
টেস্ট ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৬টি চারে ১৪৮ বল মোকাবেলায় ৬৪ রানে অপরাজিত আছেন স্মিথ। তার সঙ্গী মার্শের সংগ্রহ ৪৪ রান। ইংল্যান্ডের এন্ডারসন, ব্রড, মঈন ও বল ১টি করে উইকেট নেন। 
 
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
 
ইংল্যান্ড : ৩০২/১০, ১১৬.৪ ওভার (ভিন্স ৮৩, মালান ৫৬, স্টার্ক ৩/৭৭)।
অস্ট্রেলিয়া : ১৬৫/৪, ৬২ ওভার (স্মিথ ৬৪*, মার্শ ৪৪*, ব্রড ১/১৮)। 
 
ইত্তেফাক/রেজা