রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলতে পারে ইতালি!

 

প্লে-অফে সুইডেনের কাছে হেরে ভাগ্য পুড়েছে ইতালির। আগামী বছর রাশিয়ায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে খেলতে পারছে না জিয়ানলুইজি বুফনরা। কিন্তু হঠাৎ করে একটু আলোর ঝলকানি দেখতে পাচ্ছে ইতালিয়ান সংবাদ মাধ্যম। কোয়ালিফাই না করেও বিশ্বকাপে খেলতে পারে আজ্জুরিরা!

 

পেরুর কংগ্রেসম্যান পালোমা নোচেদা একটি আইনের প্রস্তাব করেছেন। যার মাধ্যমে দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টসের অধীনে আনা হবে। অর্থাৎ ফুটবলের উপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ জোরদার হবে। এর ফলে প্লে-অফে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা দেশটির বিশ্বকাপ খেলা শঙ্কার মধ্যে পড়ে যাবে।

 

পূর্বে ফুটবলে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের কারণে কঠোর অবস্থান নিতে দেখা গেছে আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাকে। ২০০৬ সালে কেনিয়ার ফুটবলে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের কারণে দেশটির উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ফিফা। সে সময় কেনিয়ার সরকার ফুটবল ফেডারেশনকে ভেঙ্গে দিয়েছিল। পেরুভিয়ান সংবাদপত্র লিবেরো তাই শঙ্কার কথা জানাচ্ছে, ফুটবলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে বিশ্বকাপ থেকে নিষিদ্ধ হতে পারে পেরু। আর তাতেই আশা দেখছে ইতালি।

 

বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ফিফার নীতিমালায় বলা আছে, ‘যদি কোনো অ্যাসোসিয়েশন নিজেদেরকে আসর থেকে প্রত্যাহার করে নেয় কিংবা কোনো কারণে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে, তাহলে ফিফার অর্গানাইজিং কমিটি এককভাবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। ফিফার অর্গানাইজিং কমিটি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনকে বাদ দিয়ে অন্য অ্যাসোসিয়েশনকে আসরে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে পারবে।’ ইতালি ছাড়া চিলি, নেদারল্যান্ডও এক্ষেত্রে বিবেচ্য হতে পারে।

 

তবে নোচেদা আইনের প্রস্তাব করলেও কোনোভাবেই পেরুর বিশ্বকাপ যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চান না। দেশটির কমিশন ফর ইনস্ট্রাকশন, ইয়ুথ অ্যান্ড স্পোর্ট এর সভাপতি বলেন, ‘আইনটির কারণে ফিফা পদক্ষেপ নিতে পারে। কিন্তু পেরুভিয়ান খেলাধুলার যাতে ভালো হয়, সেদিকটি আমাদের দেখতে হবে। কোনো বিল পেরুর বিশ্বকাপ খেলা বাধাগ্রস্ত করবে না। যদি বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে বিলটি নিয়ে বিতর্ক হবে এবং প্রত্যাহার করা হবে।’

 

ইত্তেফাক/এমআর