তাড়াশে ৩ হাজার হেক্টর রবিশস্য আবাদে বাধা

 
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সরকারি খাল, নয়নজুলি ও জলাধারে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবৈধ সোতিজাল পাতায় পানি প্রবাহের পথ সঙ্কুচিত হয়ে বিস্তীর্ণ মাঠ থেকে ধীরগতিতে বন্যার পানি নামছে। ফলে ভাটি অঞ্চলের তিন হাজার হেক্টর রবিশস্য আবাদ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষক। এদিকে মাসের পর মাস ধরে সোতিজাল পেতে মাছ নিধন করায় ভরা মৌসুমেও ডোবা-নালায় দেশীয় প্রজাতির মাছের আশানুরূপ দেখা মিলছেনা।
 
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছেন, গত বছরও পানি প্রবাহের পথে সোতিজাল পেতে বাধা সৃষ্টি করায় দুই হাজার দুইশ হেক্টর জমিতে রবিশস্য আবাদ করা সম্ভব হয়নি। এ বছরও তিন হাজার হেক্টর রবিশস্য আবাদ সোতিজালের প্রতিবন্ধকতায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আর মৎস্য বিভাগ ভুক্তভোগীদের একাধিকবার সোতিজাল উচ্ছেদের আশ্বাস দিয়ে মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কিছুই করতে পারছেন না।
 
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল-ভেটুয়া এলাকা এবং মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের গবর জঙ্গল-চরকুশাবাড়ি এলাকার বেশ কয়েকটি স্থানে অবৈধ সোতিজাল পেতেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। মাছ নিধনের জন্য এসব সোতিজালের আশ-পাশের বেশ খানিকটা জুড়ে পানিতে বাঁশ পুতে চিকন পাশের জাল আর পলিথিন দিয়ে পানি প্রবাহের পথগুলোতে বাধার সৃষ্টি করে রেখেছে। ফলে বিস্তীর্ণ মাঠ থেকে বন্যার পানি নামতে দেরি হচ্ছে। সোতিজালের কারণে স্রোতের উজান থেকে ভাটিতে পানির পরিমাণ এক হাতেরও বেশি ব্যবধানে রয়ে গেছে।
 
এ প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিব জিতু জানান, মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে শিগগিরই কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
 
ইত্তেফাক/জামান