বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন বলেছেন, সীমান্তে হত্যা ও চোরাচালান বন্ধে বিজিবি টহল জোরদার করা হবে। সিসি ক্যামারসহ ডিজিটাল লাইগেশনের মাধ্যমে সীমান্তে মনিটরিং করা হবে।
তিনি বলেন, 'সীমান্তে হত্যা চাইনা, সীমান্তে রিংরোড নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রতিবেশীদেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি ৫কিলোমিটার দূরে দূরে বিজিবি ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা আছে।'
রবিবার বেলা ১১টার দিকে কুড়িগ্রামের রৌমারী সদর বিওপি ক্যাম্প পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেনারেল আবুল হোসেন এসব কথা বলেন।
এ সময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন, বি-বাড়ীয়া আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহিদ হাসান, বিজিবি ময়মনসিংহ সেক্টর কমান্ডার কর্নেল কাজী অনুরুদ্ধ (এনডিসি,পিএসসি), বিজিবি সদর দপ্তরের লে. কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম, লে. কর্নেল সাইনুর হোসেন, লে. কর্নেল এ্যাকনিম আবেদীন, মেজর আনারুল শাহাদত, ৩৫ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক মোহাম্মাদ আতিকুর রহমান ও বিভিন্ন কোম্পানি কমান্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী উপজেলার ছাটকড়াইবাড়ী সীমান্তে চোরাকারবারিদের সঙ্গে বিজিবি'র সংঘর্ষ, তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়াসহ উভয় পক্ষের ৭জন আহত হয়। এ বিষয়ে বিজিবি বাদী হয়ে ২০জন চোরাকারবারির নাম উল্লেখ পূর্বক ২শ' ৫০জন গ্রামবাসীকে আসামি করে রৌমারী থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা রুজু করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে ৩জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ইত্তেফাক/জামান