টাকার অভাবে চিকিত্সা চলছে না গৌরনদীর মানসিক প্রতিবন্ধী বাচ্চু গোমস্তার। উপজেলার আশোকাঠি গ্রামের চায়ের দোকানদার মোহাম্মাদ আলী গোমস্তার পুত্র বাচ্চু গোমস্তা (২৫)।
তার পরিবারের সদস্যরা জানান, হিতাহিত জ্ঞান না থাকার কারণে বাচ্চু এদিক সেদিক চলে যায়। তাই হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় গত তিন বছর যাবত্ তাকে ঘরের মধ্যে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।
প্রতিবন্ধী বাচ্চুর বৃদ্ধা মা সুফিয়া বেগম (৬০) জানান, জন্মের পাঁচ মাস পর সে (বাচ্চু) ধুনেষ্টংকর রোগে আক্রান্ত হয়। সেই থেকে সে মানসিক প্রতিবন্ধী। ছয় বোন ও তিন ভাইয়ের মধ্যে বাচ্চু সপ্তম। তার বাবা মোহাম্মাদ আলী গোমস্তা (৭৫) গৌরনদী বন্দরের সামান্য চায়ের দোকানদার ছিলেন। অভাব অনাটনের সংসার।
পিতার আয়ের টাকায় এতদিন সংসার চলছিল। বাচ্চুর চিকিত্সার ব্যয়ও তিনি বহন করছিলেন। কিন্তু বয়সের ভারে মোহাম্মাদ আলী চায়ের দোকান চালাতে পারছিলেন না। তাই দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন তিন বছর আগে। সেই থেকে বাচ্চুর চিকিত্সাও বন্ধ। তাই নিরুপায় হয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী সন্তানের চিকিত্সার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন তার অসহায় মা-বাবা।
ইত্তেফাক/এমআর