ত্রিপুরায় আটক বাংলাদেশীদের বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর

ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমা শহরে আটক ১৪ বাংলাদেশীকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিএসএফ। অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে গত শুক্রবার (৫ এপ্রিল) তাদের ভারতে আটক করা হয় । 

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটক বাংলাদেশীদের ব্যাপারে রামগড় ৪৩ বিজিবি হতে ত্রিপুরার সাব্রুমের ৬৬ বিএসএফ কর্তৃপক্ষের কাছে পত্র পাঠানো হয়। এর প্রেক্ষিতে গত শনিবার বিজিবি -বিএসএফের মধ্যে প্রথম দফায় পতাকা বৈঠক হয়। পরে গত মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) পুনরায়  পতাকা বৈঠকে বসেন উভয় পক্ষ।

২২১৬/২ আর.বি পিলার এলাকায় ঘণ্টা ব্যাপী এ পতাকা বৈঠকে বিএসএফ সে দেশে আটক ১৪ জন বাংলাদেশীকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। তারা হচ্ছেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালির পশ্চিম নাপোড়া গ্রামের বাসিন্দা জগ্য মালী দাশ, তার স্ত্রী গীতা রাণী দাশ, পুত্রবধূ চম্পা দাশ, নাতনি হৈমন্তি দাশ ও নাতি অদ্রীজ দাশ, বাঁশখালির মধ্যম পুইছড়ির জলদাশ পাড়া গ্রামের বাসিন্দা রাধাবাশি জলদাশ, নোয়াখালির হাতিয়ার বোয়ালিয়া গ্রামের নবেল চন্দ্র দাশ, হাতিয়ার ফরাজি গ্রামের সরস্বতী দাশ, মাইচ্চা বাজারের রায় মোহন জলদাশ, স্ত্রী মুক্তা রাণী জলদাশ, পুত্র অবয় জলদাশ, পুত্রবধূ আদুরী জলদাশ, নাতি রাহুল জলদাশ ও ছোট ছেলে কুঞ্জলাল জলদাশ।  

রায় মোহন জলদাশ (৬০) জানান, তারা ভারতের কোলকাতায় আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাব্রুমে যান। নারায়ণ পাল ও উত্তম সিং নামে স্থানীয় দুইজন দালাল তাদের সীমান্ত পার করে সেখানে নিয়ে যায়। সাব্রুম থেকে বাসযোগে আগরতলা যাওয়ার জন্য তারা বাস স্টেশনে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এসময়  বিএসএফ তাদের আটকের পর সাব্রুম থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।  

আরও পড়ুন: রাজধানীসহ চার জেলায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৪

বিজিবির রামগড় বিওপির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. জয়েন উদ্দিন বলেন, আটককৃতরা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিশ্চিত হওয়ার পর বিএসএফের কাছ থেকে তাদের গ্রহণ করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, তাদের বিরুদ্ধে রামগড় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/অনি