ব্যালন ডি অ’র জিততে রিয়ালে যেতে হবে নেইমারকে?

ব্যালন ডি’ওর খেতাবের দৌড়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসির সঙ্গে তিনিও ছিলেন প্রবলভাবে। কিন্তু ব্যালন ডি অ’র জয়ের স্বপ্ন অধরাই থেকে গিয়েছে নেইমারের। তিনি হয়েছেন তৃতীয়। তবে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলেই নাকি ব্যালন ডি অ’র স্বপ্নপূরণ হবে ব্রাজিল তারকার; এমনটিই দাবি করেছেন রিয়াল প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেস।
 
বার্সেলোনা ছেড়ে এই মরসুমেই রেকর্ড অর্থে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) যোগ দিয়েছেন নেইমার। কয়েক মাসের মধ্যেই ফের শিরোনামে তিনি। পেনাল্টি কিক-কাণ্ডে সতীর্থ এডিনসন কাভানির সঙ্গে সংঘাতের জেরেই তাঁর পিএসজি ছাড়া নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যমের দাবি, কাভানির সঙ্গে সংঘাতের জেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন নইমার। তিনি নাকি আর পিএসজিতে খেলতে আগ্রহী নন।
 
এই পরিস্থিতিতে তাকে দলে ভেড়াচ্ছে রিয়াল, বাজারে এমন গুঞ্জনই ছিল। এমন প্রেক্ষাপটে রিয়াল প্রেসিডেন্ট স্প্যানিশ রেডিও-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদে এলে নেইমারের পক্ষে ব্যালন ডি অ’র জেতাটা অনেক সহজ হবে। রিয়াল মাদ্রিদ হচ্ছে সেই ক্লাব, যারা সেরা ফুটবলারদের সমস্ত রকম চাহিদা পূরণ করে।’
 
নেইমার কি পিএসজি ছেড়ে রিয়ালে সই করতে রাজি? ব্রাজিলীয় তারকা অবশ্য এই প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি। পেরেস অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন, নেইমারের জন্য রিয়ালের দরজা সব সময়ই খোলা। বলেছেন, ‘আমি সেরাদের নিতে চাই। নেইমার তার মধ্যে অন্যতম। ওর জন্য আমার দরজা সব সময়ই খোলা। নেইমার চাইলে রিয়ালে আসতে পারে।’
 
ব্রাজিলের সান্তোস এফসিতে খেলার সময়ই নেইমারকে নেওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করেছিলেন রিয়াল প্রেসিডেন্ট। কিন্তু ২০১৩ সালেও বার্সেলোনা ছিনিয়ে নেয় তাঁকে। পেরেস বলেছেন, ‘সকলেই জানে আমি নেইমারকে সই করাতে ভীষণ ভাবেই আগ্রহী।’ নেইমারকে নেয়ার জন্য কেন তিনি মরিয়া তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন রিয়াল প্রেসিডেন্ট। বলেছেন, ‘বিশ্বে রোনালদোও মেসির পরে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ফুটবলার একমাত্র নেমারই রয়েছে।’
 
ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে নেমারকে নিয়ে রিয়ালের আগ্রহের মূল কার। আগামী ফেব্রুয়ারিতে ৩৩ বছরে পা দেবেন সি আর সেভেন। ফলে পর্তুগাল অধিনায়কের বিকল্প খুঁজে নেওয়া এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রিয়াল কর্তাদের প্রথম পছন্দ ছিল এডেন হ্যাজার্ড। চেলসি তারকার সঙ্গে তাঁদের কথাবার্তা অনেক দূর এগিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে চেলসিতেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন হ্যাজার্ড। তার পরেই নেমারকে নেওয়ার জন্য আরও মরিয়া হয়ে উঠেছেন পেরেস।
 
ইত্তেফাক/কেআই