‘বিড়ি শিল্প নিয়ে আগামী বাজেটে ষড়যন্ত্র নয়’

 
‘বিড়ি শ্রমিকের জীবন : সরকারের প্রতিশ্রুতি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে গবেষণা ও উন্নয়ন কালেকটিভ (আরডিসি) বিড়ি শিল্প নিয়ে আগামী বাজেটে কোনো ষড়যন্ত্র না করার আহ্বান জানিয়েছে। আজ শনিবার এ আহ্বান জানানো হয়।
 
বৈঠকে বক্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরও বারবার বিশেষ একটি মহল বিড়ি শিল্পকে ধ্বংসের চেষ্টা করে যাচ্ছে।
 
সভাপ্রধান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও আরডিসি'র চেয়ারপারসন ড. মেসবাহ কামাল বলেন, গত বছর বাজেটে প্রধানমন্ত্রী আমাদের পক্ষে অবস্থান নেয়ার পরও বিড়ির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে বিভিন্ন মহল। সামনে আবারও বাজেট আসছে। জানুয়ারি থেকেই বাজেটের কার্যক্রম শুরু হয়। আর বাজেট এলেই বিড়ি শ্রমিকদের বুক কেঁপে ওঠে। 
 
এই নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের মানুষগুলো দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। গত বাজেটে কাবিখা বা গরিবদের সহায়তার বিভিন্ন খাতে বাজেটের পরিমাণ বাড়লেও- এখন পর্যন্ত তা যথেষ্ট নয়। তার ওপর বিড়ির বিরুদ্ধে অর্থমন্ত্রী ও এনবিআর চেয়ারম্যানের এমন অবস্থানে আসন্ন বাজেট নিয়ে আবারও আমরা শংকিত। আর সেই শংকা থেকেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকদের ৮০ ভাগের বেশি নারী। তাদের পরিবার এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল।
 
বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমকে বাঙালি বলেন, ধূমপানবিরোধী আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে চলছে। আমরাও চাই তামাক দেশে না থাকুক। বিড়ি, সিগারেট, গুল -এরূপ তামাক জাতীয় উপকরণ না থাকুক। কিন্তু ধূমপানবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে শুধু বিড়ির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়া কি সঠিক? আমার মতে, বিড়ি এবং সিগারেট -দুটিই সমান ক্ষতিকর নয়। তাছাড়া বিড়িতে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয় না। বাড়তি বিদ্যুৎ খরচ হয় না। 
 
বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিড়ি-শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এম কে বাঙালী, বাংলাদেশ বিড়ি-শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান। সঞ্চালনায় ছিলেন গবেষণা ও উন্নয়ন কালেকটিভের (আরডিসি) সাধারণ সম্পাদক মিজ. জান্নাত-এ-ফেরদৌসী।
 
ইত্তেফাক/কেকে