বৈশাখে হয় বর্ষবরণ, ফূর্তি-আমোদ ধুম
জ্যৈষ্ঠ মাসে ফলের বাসে উধাও চোখের ঘুম।
আষাঢ় এলে ছন্দমুখর বৃষ্টি টাপুরটুপুর
নদীর জলে ছেলেমেয়ের সাঁতার ঝাপুর-ঝুপুর।
ভর-বাদলে টিনের চালে জলের ধারাপাত
দেয় ছড়িয়ে হলুদ আলো জোছনা ভেজা রাত।
শ্রাবণ মাসে প্লাবন আসে সকল নদী-গাঙে
ঢেউয়ের তোড়ে হঠাত্ করে নদীর দু’পাড় ভাঙে।
ভাদ্র এলে পাকা তালে রসের পিঠা খাই
শাদা মেঘের কোমল পালক আশ্বিনেতে পাই।
কার্তিকে বয় ধানের খেতে বাতাস ঝিরিঝিরি
অগ্রহায়ণ এলেই আবার নবান্নতে ফিরি।
পৌষে-মাঘে শীতের দাপট, শৈত্য হাওয়া বয়
কাঁচা রোদের আলতো পরশ দারুণ মধুময়।
ফাল্গুনে মন উদাস-উদাস হয় যে ফুলের বাসে
চৈত্র শেষে নতুন বোশেখ আবার ফিরে আসে।