জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের স্বারক বহন করে এ ধরনের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম উত্সাহিত করার উপর গুরুত্বরোপ করে বলেছেন, এর মাধ্যমে জাতি ইতিহাস বিকৃতি রোধ করতে পারবে এবং নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হবে। রবিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমীর মূল নাট্যশালা হলে বাংলাদেশ ব্যালে ট্রপ’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং ব্যাটেল অব বাংলাদেশ নামক গীতিনাট্যে শততম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করেছিলেন। এ কারণেই বাংলার সংস্কৃতি আজ বিশ্বব্যাপী পরিচিত ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল। বাংলার সংস্কৃতির এই স্বকীয়তায় বাংলাদেশকে আত্ম পরিচয়ের উপাদান প্রদান করেছে এবং আত্ম বিকাশে সাহায্য করেছে। তিনি বাংলার সংস্কৃতি অকৃত্রিম পৃষ্ঠপোষক হিসাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি আন্তরিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করে আজ আমাদের সাংস্কৃতিকে জাতীয় সীমানার বাইরে প্রতিষ্ঠিত করছেন। এক্ষেত্রে তিনি একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করেন।
সংগঠনের সভাপতি বিশিষ্ট নাট্য শিল্পী আমানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ইব্রাহিম হোসেন খান, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার বজলুল করিম চৌধুরী, সংগঠনের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক এ কে বোরহান উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আমানুল হকের রচনা, নির্দেশনা ও পরিচালনায় ব্যাটেল অব বাংলাদেশ মঞ্চস্থ করা হয়।