ত্রিপুরায় আটক বাংলাদেশিদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর

ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমা শহরে আটক ১৪ বাংলাদেশিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে গত শুক্রবার  তাদের ভারতে আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটক বাংলাদেশিদের ব্যাপারে রামগড়স্থ ৪৩ বিজিবি হতে ত্রিপুরার সাব্রুমের ৬৬ বিএসএফ কর্তৃপক্ষের কাছে পত্র পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত শনিবার বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে প্রথম দফায় পতাকা বৈঠক হয়। পরে গত মঙ্গলবার পুনরায় পতাকা বৈঠকে বসেন উভয় পক্ষ। বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৪৩ বিজিবির রামগড় বিওপির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো: জয়েন উদ্দিন এবং বিএসএফের পক্ষে কাঁঠালছড়ির ক্যাম্প কমান্ডার ডিএন শুক্লা নেতৃত্ব দেন। ২২১৬/২ আর.বি পিলার এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী এ পতাকা বৈঠকে বিএসএফ সে দেশে আটক ১৪ জন বালাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। এরা হচ্ছেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালির জগ্য মালী দাশ. তার স্ত্রী গীতা রাণী দাশ, পুত্রবধূ চম্পা দাশ, নাতনি হৈমন্তি দাশ ও নাতি অদ্রীস দাশ, রাধাবাশি জলদাশ, নোয়াখালির হাতিয়ার নবেল চন্দ্র দাশ, সরস্বতী দাশ, রায় মোহন জলদাশ, স্ত্রী মুক্তা রাণী জলদাশ, পুত্র অবয় জলদাশ, পুত্রবধূ আদুরী জলদাশ, নাতি রাহুল জলদাশ ও ছোট ছেলে কুঞ্জলাল জলদাশ। এদের একজন রায় মোহন জলদাশ (৬০) জানান, তারা ভারতের কলকাতায় আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাব্রুমে যান।

বিজিবির রামগড় বিওপির কোম্পানীিকমান্ডার সুবেদার মো. জয়েন উদ্দিন বলেন, আটককৃতদের নাম, পরিচয় ও ঠিকানা তদন্ত করে এরা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিশ্চিত হওয়ার পর বিএসএফের কাছ থেকে এদের গ্রহণ করা হয়।

এদিকে, বিএসএফের কাছ থেকে নেয়া ১৪ জন বাংলাদেশিকে মঙ্গলবার রাতে রামগড় থানায় সোপর্দ করে বিজিবি। থানা সূত্রে জানা যায়, এদের বিরুদ্ধে রামগড় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।