ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া ব্রেক্সিট ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পেছানোর বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। ইইউয়ের সদরদপ্তর ব্রাসেলসে কয়েক ঘণ্টা ধরে শীর্ষ বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক এ সমঝোতার কথা জানান ।
ইইউয়ের নেতাদের বৈঠকের আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তাদের জানান, যুক্তরাজ্যের ইইউ থেকে বের হয়ে যাওয়ার তারিখ এই শুক্রবার (১২ এপ্রিল) থেকে পিছিয়ে ৩০ জুনে নিয়ে যেতে চান তিনি। এক ঘণ্টার এক উপস্থাপনায় ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া পেছানোর আবেদনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন তিনি। এরপর ইইউ নেতারা তাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত কী হতে পারে তা বের করতে টানা পাঁচ ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন। এরপর মে-কে ফের বৈঠকে ডেকে নেওয়া হয়। পক্ষ দুটির মধ্যে সমঝোতা হয়।
ব্রাসেলসের স্থানীয় সময় ভোর রাত সোয়া ২টায় সংবাদ সম্মেলনের জন্য বৈঠক থেকে বের হয়ে আসেন টাস্ক এবং ব্রেক্সিট ফের পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে জানান। এ সময় তিনি বলেন, “ব্রিটিশ বন্ধুদের জন্য বার্তা হচ্ছে অনুগ্রহ করে এই সময়টি নষ্ট করবেন না।” তিনি বলেন, “পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাজ্যের হাতে থাকবে। তারা এখনও বিচ্ছেদ চুক্তিটিকে সমর্থন করতে পারে, সেক্ষেত্রে এই সময় বৃদ্ধি বাতিল হতে পারে। চাইলে যুক্তরাজ্য তার কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে পারে বা ইচ্ছা করলে আর্টিকেল ৫০ নাকচ করে ‘ব্রেক্সিট পুরোপুরি বাতিল’ করতে পারে। এই সময়সীমা সম্প্রসারণ নমনীয় হয়েছে এবং আমার প্রত্যাশাও এমনই ছিল, তবে আমার প্রত্যাশার চেয়ে সময় একটু কম দেওয়া হয়েছে, তারপরও সম্ভাব্য সেরা সমাধান পাওয়ার জন্য এ সময় যথেষ্ট। অনুগ্রহ করে এই সময়টি নষ্ট করবেন না।’