রাত পোহালেই আগামীকাল বৃহস্পতিবার রংপুর সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে আজ বুধবার সকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজিবি মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করবে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং ও রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার।
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের ৩৩টি ওয়ার্ডে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনসহ প্রতিটি কেন্দ্রে ২৪ জন পুলিশ ও ১৪ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ ৩৩ ওয়ার্ডে ৩৩ জন ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিজিবি সদস্যদের ভোট কেন্দ্রসহ গোটা সিটি করপোরেশন এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে। আজ সকাল ৬টা থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত রংপুর মহানগরীতে বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ ও মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করে মাইকযোগে প্রচারণা চালাচ্ছে নির্বাচন অফিস।
নির্বাচনে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়ের মুকুট পড়াতেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ভোটাররা।
গতকাল প্রচারণার শেষ দিনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে ভোটাররা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করবেন।
বিএনপি প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা বলেন, যেভাবে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে তাতে কোনো অবস্থায় নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। গত তিনদিন ধরে পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রেফতারের হুমকিসহ ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, রংপুরবাসী লাঙ্গল ছাড়া আর কিছুই বুঝে না। লাঙ্গলের জয়ধ্বনি উঠে গেছে।
ইত্তেফাক/নূহু