ওষুধে অ্যালার্জি

ওষুধে অ্যালার্জি বা ড্রাগ রিয়েকশন বিষয়টির সঙ্গে কমবেশি সবাই পরিচিত আমরা। বিভিন্ন রোগ সারাতে আমরা যে ওষুধগুলো ব্যবহার করে থাকি সেই সব ওষুধেই কমবেশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। ব্যক্তিবিশেষে এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া একেক রকম হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে কোনো কোনো বিশেষ ওষুধ বা তার রাসায়নিক উপাদান এর প্রতি ব্যক্তিবিশেষের থাকতে পারে অতিসংবেদনশীলতা। যার ফলে দেখা দিতে পারে মারাক্তক ড্রাগ রিয়েকশন।  তাই এই ব্যাপারে প্রয়োজন জনসচেতনতা। তবে আশার কথা হলো- সবধরনের ওষুধে ড্রাগ রিয়েকশন নাও হতে পারে। কিছু ওষুধে প্রতিক্রিয়া ঘটে বেশি। যেমন: অ্যান্টিবায়োটিক, পেনিসিলিন, সেফালোসপোরিন, সালফারযুক্ত ওষুধ, উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ- এসিই ইনহিবিটর, খিঁচুনী প্রতিরোধক ওষুধ কার্বামাজেপিন, অ্যালুপিউরিনল ইত্যাদি। এসব ওষুধে যদি কখনো কারো অ্যালার্জিক রিয়েকশন দেখা দেয় তবে অবশ্যই ওষুধ বন্ধ করে চিকিত্সকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে । সাধারণত ওষুধে রিয়েকশনের লক্ষণগুলো হলো: ত্বকে লালচে র্যাশ, চাকা, চুলকানি, শ্বাসকষ্ট হওয়া, জ্বর কিংবা খিঁচুনি হওয়া। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শরীরের ত্বকে মারাত্মক ফোসকা বা ঘা হতে দেখা যায়।  কোনো ওষুধে অ্যালার্জি হয়ে থাকলে তার নাম সংরক্ষণ করা এবং পরবর্তী সময়ে অন্য চিকিত্সককে অবহিত করা প্রয়োজন। এতে পরবর্তীতে ওষুধে রিয়েকশনের ঝুঁকি থাকে না।   লেখক: চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ